বাংলাদেশে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো

1 min read

।। মনির ফয়সাল, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ ।।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও মানুষ নিজেদের ঘরে অনেক বেশি আটকে রাখেছে। তবে ঘরে আটকে থাকলেও বেড়েছে অনলাইনে চলাফেরা। বাংলাদেশে গত ক’মাসে বেশ বড়সড় পরিবর্তন এসেছে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোতে। করোনা পরিস্থিতিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং জমজমাট হচ্ছে (ই-কমার্স) অনলাইন ব্যবসা।

বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে অনেকে ফেসবুকে পেইজ খুলে পণ্য বাজারজাতকরণ ও সরবরাহ দিচ্ছেন। চাল, ডাল, তেল, কাপড় থেকে শুরু করে গৃহস্থালির টুকিটাকি পণ্যও মিলছে অনলাইনে। এছাড়া অনেক সৌখিন জিনিসপত্রও অনলাইন থেকে কেনা যাচ্ছে। উদ্যেক্তারা ছবি ও ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে চালাচ্ছেন ভার্চুয়াল প্রচারণা। অনলাইন কেনাকেটার সুবিধাজনক দিকগুলোও তারা নেটিজেনদের কাছে তুলে ধরছেন।

কয়েকজন উদ্যোক্তা জানান, প্রথম দিকে শখের বসে কাজটা শুরু করলেও পরবর্তীতে ক্রেতাদের চাহিদা থাকায় তারা স্থায়ীভাবেও ব্যবসায়িক মানসিকতা নিয়ে পণ্য বাজারজাত করছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রযুক্তির সুফল কুফল দুটোই আছে। অনেকে ফেসবুক পেজ কিংবা ওয়েবসাইট খুলে প্রতারণা করছে এটি পত্রপত্রিকায় দেখা যায়। এতে করে অনেকে অনলাইন কেনাকাটায় আস্থা হারান। তাই ক্রেতাকে অবশ্যই সজাগ থাকতে হতে হবে। অনলাইন ব্যবসা বিকশিত হলে সামগ্রিকভাবে দেশেরই লাভ। উন্নত বিশ্বে অনলাইন কেনাকাটা বেশ জনপ্রিয়। আমাদের দেশেও অনলাইনভিত্তিক কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট আছে। যেখান থেকে একজন ক্রেতা ঘরে বসে পণ্য অর্ডার দিচ্ছেন। এসব অনলাইন প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেক কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান। ক্রেতা আকর্ষণে অনেকে বিভিন্ন অফারও দিয়ে থাকেন। পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ডিসকাউন্টের প্রথা তো আছেই।

অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘মেমসাহেব’ এর স্বত্বাধিকারী ফারিহা ইসলাম সুমাইয়া বলেন, আমি মূলত বিভিন্ন জুয়েলারি পণ্যের কাঁচামাল নিয়ে কাজ করি। প্রথম দিকে শখের বসে শুরু করলেও পরবর্তীতে রেসপন্স ভালো পাওয়ায় পুরোদমে কাজ শুরু করি। মূলত আমি শুরু করি ২০১৭ সালে। তখন শুধুমাত্র চট্টগ্রামে কাজের ব্যাপ্তি ছিল। এখন বলা যায়, পুরো বাংলাদেশে আমার ক্রেতা আছে। অনলাইন প্লাটফর্মে সততার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করলে অবশ্যই উন্নতি করা সম্ভব বলে মনে করি। শুধুমাত্র ধৈর্য্য ধরতে হবে। আমাদের ভোক্তা যেহেতু তরুণ প্রজন্ম তাই ট্রেন্ড বুঝে কাজ করতে হয়। জুয়েলারি ফ্যাশন পরিবর্তনশীল। পরিবর্তনটা বুঝে মার্কেট সার্ভে করতে হবে।

ক্রাফ্‌টলি-র নুসাইবা লিজা বলেন, ছোটবেলা থেকে আমি কাগজ দিয়ে রকমারি জিনিস বানতাম। সেই শখটাকে বিজনেসে রুপ দিয়েছি। অনলাইনে আমি বিভিন্ন ধরণের কার্ড দিয়ে গিফট আইটেম তৈরি করছি।

এম/বি