আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের নিরপেক্ষ তদন্তর দাবি দিলীপের! কী বললেন সুজন ?

।। প্রথম কলকাতা ।।


এই অস্ত্রশস্ত্র গুলো মাওবাদী বা হার্মাদ , যে কারো হতে পারে। আবার এই আমলেরও হতে পারে। তবে ঘটনাটি যথেষ্ট চাঞ্চল্যের। এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। এই কথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, এই ধরনের ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। মানুষের মধ্যে ভীতির সঞ্চার করে। তাই যত শীঘ্র সম্ভব তদন্ত হওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, মেদিনীপুরের গোয়ালতোড় এ মাটি খুঁড়ে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোয়ালতোড় থানার পুলিশ। এই বিষয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, সিপিএম হয়তো ওখানে আগ্নেয়াস্ত্র রেখেছিল। সিপিএমের পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, গোয়েন্দারা সেখানে কি করছিল?ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে ফের চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

একসময় মেদিনীপুর সংলগ্ন জঙ্গলমহল এলাকায় মাওবাদীদের আস্তানা ছিল। তারা সেইসময় জঙ্গলমহলের বিভিন্ন এলাকায় তাদের কার্যকলাপ চালাত। রাজ্যে সিপিএমের আমলে একাধিকবার তৎকালীন বিরোধী তৃণমূলের পক্ষ থেকে সিপিএমের হার্মাদরা অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতো বলে অভিযোগ করা হতো।

দীর্ঘদিন পর জঙ্গলমহল সংলগ্ন এলাকায় ফের আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াতে শুরু করেছে। রাজ্যে সিপিএমের পরিচালনায় বামফ্রন্ট সরকার চলে যাওয়ার পর তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসে। তারপর থেকে জঙ্গলমহল সংলগ্ন এলাকায় মাওবাদীদের সেই ধরনের কোনো অভিযান লক্ষ্য করা যায়নি।

সেই বিষয়ে বিরোধী অন্যান্য রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে একাধিকবার বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে। জঙ্গলমহল সংলগ্ন এলাকায় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ কর্ম শুরু করার পরে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে দাবি শাসক শিবিরের। তারপরে এদিন ফের সেখানে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।