কংগ্রেসে নতুন সভাপতি নির্বাচন হতে পারে জানুয়ারিতে

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

আগামী বছরের জানুয়ারিতেই কংগ্রেস এআইসিসি-র অধিবেশন ডাকতে পারে নতুন সভাপতি নির্বাচনের জন্য বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর।

সোমবার কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে নেতাদের একাংশ চেয়েছিলেন আগামী ১ বছরের মধ্যে এই অধিবেশন ডাকতে। তবে কংগ্রেসের ভেতরের খবর দলনেতা রাহুল গান্ধী সহ অনেকেই পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যেই তা করতে চাইছেন।

জানুয়ারিতে সম্ভাব্য অধিবেশনের কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে, যেহেতু এবছর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর সেসময় কাছাকাছি কোনও ভোট নেই। ২০২১এর এপ্রিল নাগাদ ৫টি রাজ্য-তামিলনাড়ু,পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, অসম ও পুদুচ্চেরিতে বিধানসভা ভোট হওয়ার সম্ভাবনা। তার ফলে ফের প্রাণবন্ত দল নিয়ে নতুন নেতার নেতৃত্বে ভোটে নামার জন্য অনেকটা সময় পাবে কংগ্রেস।

আগস্ট ২০১৯থেকে অন্তর্বর্তী সভানেত্রী হিসেবে কাজ চালাচ্ছেন সনিয়া গান্ধী। তিনি পদত্যাগ করতে চেয়েছেন এবং সিডব্লুসি-কে নতুন প্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে বলেছেন। তবে ২৩ জন সিনিয়ার নেতা একটি চিঠিতে কংগ্রেসের কার্যপদ্ধতির পরিবর্তন চেয়ে যে চিঠি দিয়েছিলেন, তা নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্কের মাঝেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং সহ অনেক নেতাই নতুন সভাপতি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কাজ চালিয়ে যেতে আর্জি জানিয়েছেন।

কংগ্রেস সূত্রের খবর ২০১৭ ও ২০১৯এর মধ্যে ২ বছর দলকে নেতৃত্ব দেওয়া রাহুল গান্ধী আর এই হট সিটে ফিরতে চাইছেন না। কিন্তু বহু কংগ্রেস কর্মী ও নেতা তাকেই নেতা হিসেবে দেখতে চান এবং তারা কোনও অ-গান্ধীকে গ্রহণ করবেন না।

সনিয়া গান্ধী দলের অন্তর্বর্তী প্রধান হিসেবে এক বছর ইতিমধ্যেই পার করেছেন। তিনি আগে মে ১৯৯৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৪-এই ১৯ বছর কংগ্রেসের ইতিহাসে বিরতিহীন সবচেয়ে দীর্ঘতম সময়ের জন্য সভানেত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তারপর রাজপাটে বসেন রাহুল গান্ধী। মে ২০১৯এ লোকসভা ভোটে দলের ভরাডুবির নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন।

এআইসিসি-র অধিবেশন একটি ম্যারাথন প্রক্রিয়া। শুরু হয় সদস্য সংগ্রহ ও রাজ্যস্তরে প্রতিনিধি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। দলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে সর্বসম্মত ভাবে। একবারই ২০০০এ জিতেন্দ্র প্রসাদ সনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিলেন।