সাদা চিনি বাদ দিন ধরুন বাদামি চিনি

1 min read

।। সুদীপা সরকার ।।

ক্যাফে বা রেস্তোরাঁ গেলে আমরা দেখি চিনি দরকার হলে তারা বাদামি চিনি বা ব্রাউন সুগার দেন। ইদানিং মুদির দোকান থেকে মলে এই বাদামের চিনি কিনতে পাওয়া যায়। ফরমালিন আর ভেজালের যুগে মানুষ একটু একটু করে সচেতন হচ্ছেন। সাদাটা বাচাল এর পরিবর্তে এখন অনেকেই বাদামী রঙের দিকে ঝুঁকছেন। কারন অনেকেই ব্রাউন রাইস খেয়ে থাকেন। লাল আটার রুটি বা লাল চালের ভাত স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
ঠিক তেমনই বাদামি চিনি ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আমাদের দেশে চিনি তৈরি হয় আখের রস থেকে। আখের রস সাদা হয়। আখের রসের ঘনীভূত দ্রব্য হল চিনি। ধবধবে সাদা চিনির বদলে লাল শ্রেণিতে রয়েছে অনেক উপকারী উপাদান। বাদামি চিনি বা ব্রাউন সুগার অনেক কম ডিফাইন করা হয়। তার ফলে চীনের মধ্যে থাকা ক্রিস্টালের মাপ অনেক বড় সাদা শ্রেণীর ক্রিস্টালের তুলনায়। বাদামি চিনি কোন রান্নায় ব্যবহার করলে সেই পথটি রং অনেকটা বাদামী হয়ে যায়।

এটি এর অন্যতম একটা কার্যকারিতা। যে চিনির রং যত বেশি সাদা ততবেশি পরিশোধিত এবং তত কম পুষ্টি সম্পন্ন। তাই সাদা ও লাল চিনির পুষ্টিগত স্বাদ ও গন্ধের দিক থেকে লাল চিনি সাদা চিনি অপেক্ষা উন্নত। লাল শ্রেণীতে মোলাসেস নামক এক প্রকার আঠালো উপাদানের জন্য তিনি লাল বাদামী রং ধারণ করে।

বিভিন্ন পরীক্ষাগারের পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে আজ থেকে উৎপাদিত চিনিতে ক্যালসিয়ামের মাত্রা ১৬০.৩২। পটাশিয়াম ১৪২.০৯ শতাংশ থাকে। শতকরা ৪৬ ভাগ থাকে সুক্রোজ। ফসফরাস ২.৫ থেকে ১০.৭৯ শতাংশ থাকে। আয়রন ০.৪২ থেকে ৬ ভাগ থাকে। সোডিয়াম ০.০৬ শতাংশ থাকে।

এছাড়াও পাওয়া যায় আয়রন ম্যাঙ্গানিজ ভিটামিন-বি ও কপার। এছাড়াও এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফলিক অ্যাসিড, উপকারী অ্যামাইনো অ্যাসিড শর্করা সহ ইত্যাদি।
ক্যালরির দিক থেকে বাদ আমি চিনি আর সাদা চিনির মাঝে খুব একটা তফাৎ থাকে না।
এক চামচ বাদামী চিনির মধ্যে ১৭ ক্যালরি এবং এক চামচ সাদা চিঠির মধ্যে ১৬ ক্যালরি শক্তি রয়েছে।

তাই ওজন কমানোর জন্য বাদামি চিনি কে বেছে নিয়েছেন অনেকেই। বাদামি চিনিতে বিদ্যমান ফলিক অ্যাসিড দিয়ে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। লাল চিনি খাদ্য উপাদান অন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখে। লাল চিনি ত্বক পরিচর্যায় ব্যবহার করা হয়। লাল চিনি দেহে রক্ত কণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। এছাড়াও এই শ্রেণীর উপাদান হজমে সহায়তা করে।
লাল চিনির মোলাসেস অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।