রাজ‍্যে স্বৈরাচারী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে:চন্দ্র বোস


।। রাজীব ঘোষ ।।

পশ্চিমবাংলায় হিংসার রাজনীতি দেখছি। এটি বাংলার সংস্কৃতি নয়। কংগ্রেসের আমলে পশ্চিমবাংলায় হিংসার রাজনীতি ছিল। সেই সময়ে এমনকি এনকাউন্টার করা হতো বলেও শোনা গিয়েছে। রাজনীতিতে কোনো শান্তিপূর্ণ মিছিল করা হলে তার উপরে আক্রমণ করাটা রাজনীতি নয়। প্রথম কলকাতায় লাইভ সাক্ষাৎকার এসে বললেন বিজেপি নেতা নেতাজি পরিবারের সদস্য চন্দ্র কুমার বসু। তিনি আরো বলেন রাজনীতির সঙ্গে গুন্ডারাজ কে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না।

জেহাদীরা কোনো একটি ধর্মের মধ্যে নেই। সমস্ত ধর্মেই রয়েছে। তাই জিহাদিদের আলাদা করে আইনত সঠিক ব্যবস্থা নিতে হবে। ধর্মকে রাজনীতির ভেতরে আনার প্রয়োজন নেই। ভারতীয় জনতা পার্টি হিন্দু জনতা পার্টি নয়। যতদিন চন্দ্র বোস ভারতীয় জনতা পার্টিতে আছে পশ্চিমবাংলায় ধর্মের রাজনীতি মানুষ মেনে নেবে না। শুধু এই রাজ্যে নয় দেশের কিছু রাজ্যে হয়তো চলতে পারে কিন্তু সারাদেশে কখনোই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করা বেশিদিন চলতে পারেনা। জানালেন চন্দ্র বোস। তার কথায় বিশ্বের বড় দল ভারতীয় জনতা পার্টি।

এখানে কিছু লোক হয়তো আছে যারা ধর্ম নিরপেক্ষতা বজায় রাখে না। তবে নরেন্দ্র মোদির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছি। আমার বিশ্বাস তিনি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী। তবে ধর্ম নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন। তিনি স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের কথাই আছে যত মত তত পথ। সেই ধর্মে আমি বিশ্বাসী। নরেন্দ্র মোদীজির নেতৃত্বে ভারতীয় জনতা পার্টি ধর্ম নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এরপর তিনি দিলীপ ঘোষের বিভিন্ন মন্তব্য প্রসঙ্গে বলেন দিলীপ ঘোষ বিজেপির রাজ্য সভাপতি। প্রকাশ্যে কিছু বলা ঠিক নয়। তবে এই রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।

বিরোধীদের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে চন্দ্র বোস বলেন রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হিংসা হয়েছিল। বিরোধীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারেনি। এখান থেকে স্পষ্ট হয় পশ্চিমবঙ্গে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শেষ হয়ে গেছে। বিজেপির দলীয় কার্যক্রমে আক্রমণ হয়। মিটিং মিছিলে বাধা দেওয়া হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটা স্বৈরাচারী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে সেটি শেষ কথা নয়। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এর উপরেই ছেড়ে দেওয়া হবে। তারাই ঠিক করবে এখন রাজ্যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আছে কি নেই। তারা যেটা বলবে আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে গ্রহণ করব বললেন চন্দ্র বসু।