মুকুলের বাড়িতে অর্জুন,সব্যসাচী, শঙ্কু, ফের বদলাচ্ছে সমীকরণ ?

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

সাংগঠনিক রদবদল ঘটতেই ফের পাল্টাচ্ছে রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার পর মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে আগমন ঘটেছে একাধিক নেতার। সেই তালিকায় একদিকে যেমন নাম উঠে আসে সৌমিত্র খাঁ নিশীথ প্রামানিক এবং শঙ্কুদেব পান্ডার। আবার অপরদিকে শোনা যায় অর্জুন সিং এবং সব্যসাচী দত্তের নামও।

সব্যসাচী দত্তর বাড়িতে গিয়ে লুচি আলুর দম খাওয়ার গল্প আজও রাজনীতি নিয়ে চর্চায় থাকা মানুষগুলোর মনে দগদগে। সেই সময় জোর জল্পনা উঠেছিল তাহলে কি মুকুল রায়ের হাত ধরেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাচ্ছেন সব্যসাচী দত্ত। হ্যাঁ হলেও তেমনটাই, জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে প্রবেশ করলেন বিধান নগরের প্রাক্তন মেয়র। এপর্যন্ত সবই ঠিক ছিল, তবে খেলাটা শুরু হয় লোকসভা নির্বাচনের পর।

যখন তৎকালীন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ কলকাতায় এসে বলেছিলেন এ রাজ্যে আঠারোটি লোকসভা আসন পাওয়ার পেছনে অন্যতম কাণ্ডারী মুকুল রায়। সেখান থেকেই শুরু হয় দিলীপ ঘোষের সঙ্গে মুকুল রায়ের মনোমালিন্য। কারণ মুকুল রায় বিজেপি তে আসার অনেক আগে থেকেই যে আরএসএস থেকে আসা দিলীপ ঘোষ কঠোর সংগ্রাম চালিয়ে বিজেপিকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন সে কথা মনে করেন অনেকেই।

আরো পড়ুন : ছত্রধরকে গৃহবন্দী করে পরীক্ষার আবেদন এন আই এর

আর এমন অবস্থায় মুকুল রায়কে কান্ডারী মনে করতেই শুরু হয় দিলীপ বনাম মুকুলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াই শুরু হতেই ধীরে ধীরে কোণঠাসা হয়ে পড়ছিলেন মুকুল রায়। একে একে দলবদল করছিলেন মুকুল রায়ের সৈনিকরাও। কয়েক মাস আগে হঠাৎই প্রেসক্লাবে দিলীপ ঘোষ কে পাশে বসিয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে সব্যসাচী দত্ত কে বলতে দেখা যায় যে, মুকুল রায় নয় তিনি বিজেপিতে এসেছিলেন দিলীপ ঘোষের হাত ধরেই।

কিন্তু রাজ্য রাজনীতি কে নিয়ে চর্চায় থাকা মানুষগুলো তখনো ভুলে যাননি লুচি-আলুর দম এর কথা। যাই হোক তারপরে রাজ্য রাজনীতির জল গড়িয়েছে অনেকটাই, এখন মুকুল রায় সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। আর তার পদ পাওয়ার 48 ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই আবারো মুকুল রায়ের বাড়িতে দেখা গেল সব্যসাচী দত্ত অর্জুন সিং এবং শঙ্কুদেব পান্ডা কে। তাহলে কি আবার পাল্টাচ্ছে রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ ?