Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

পরীক্ষার পর, এবার নম্বর পাওয়ার হিসেব শুরু গেরুয়া শিবিরের

1 min read

।। শর্মিলা মিত্র ।।

দু দফায় ৬০টি আসনে ইতিমধ্যেই ভোট হয়ে গিয়েছে। এই দু দফার ভোটের পরে জেতার বিষয় আত্মবিশ্বাসী শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী দল বিজেপি উভয় পক্ষই।
কিন্তু আত্মবিশ্বাসী হলেও পরীক্ষা হয়ে যাওয়ার পর এবার নম্বর পাওয়ার হিসেব শুরু হয়ে গিয়েছে গেরুয়া শিবিরে।
পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্র অর্থাৎ পটাশপুর, রামনগর, খেজুরি, উত্তর কাঁথি, দক্ষিণ কাঁথি, ভগবানপুর, এগরা, নন্দীগ্রাম, হলদিয়া, মহিষাদল, তমলুক, নন্দকুমার, চণ্ডীপুর, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম এবং ময়নায় ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে হেভিভোল্টেজ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে লড়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়েছেন তাঁরই একসময়ের সৈনিক শুভেন্দু অধিকারী।


ভোট শেষের পরে উভয় রাজনৈতিক দলের জেলা নেতৃত্বই সব আসনে তাঁদের জেতার দাবি জানালেও, ভোটপ্রাপ্তির হিসাব কষতে এবার দলের মণ্ডল সভাপতিদের কাছ থেকে বুথ ভিত্তিক রিপোর্ট তলব করল বিজেপি জেলা নেতৃত্ব। দু থেকে তিন দিনের মধ্যে মণ্ডল সভাপতিদের রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

বিজেপি দলীয় সূত্রে খবর, বুথ ভিত্তিক সম্ভাব্য ফলাফলের হিসেব দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ‘ফর্ম’ দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ওই ফর্মে থাকা ফাঁকা জায়গায় বিজেপি প্রার্থী, অন্য প্রার্থীদের সম্ভাব্য প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে। পাশাপাশি ওই ফর্মে বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে প্রধান বিরোধী প্রার্থীর ভোটের ব্যবধানও উল্লেখ করতে হবে, বলে জানা গিয়েছে।
এরপর, ওই ফর্ম পূরণ করে বুথ স্তরে ভোটের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সংশ্লিষ্ট এলাকার মণ্ডল সভাপতিদের কাছে পাঠাতে হবে। মণ্ডল সভাপতিরা এরপর সেই ফর্ম জেলা নেতৃত্বদের কাছে রিপোর্ট হিসেবে জমা দেবে। এরপর জেলা নেতৃত্ব বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের কাছে ওই রিপোর্ট জমা দেবেন বলে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ১৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম দফায় যে সাতটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে, সেগুলি বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে রয়েছে। ওই সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে এক হাজার ৯১০টি বুথ রয়েছে। দলের মণ্ডল সভাপতি রয়েছেন ৩১ জন।
পাশাপাশি দ্বিতীয় দফায় যে ৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে, সেগুলি তমলুক সাংগঠনিক জেলার মধ্যে রয়েছে। ওই বিধানসভায় ২ হাজার ৪৪৪টি বুথ রয়েছে। সেখানে মণ্ডল সভাপতি রয়েছেন ৪১ জন।

জানা গিয়েছে, বিজেপি-র জেলা নেতৃত্ব বুথ ভিত্তিক রিপোর্ট চেয়েছেন দলের মণ্ডল সভাপতিদের কাছ থেকে। আর সেই কারণে এবার বুথ স্তরে ভোটের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত বুথ সভাপতি, বুথ পালক ও শক্তিকেন্দ্র প্রমুখদের কাছ থেকে আলাদাভাবে হিসাব চাওয়া হচ্ছে, বলেও বিজেপির দলীয় সূত্রে খবর।
এবং আগামী দু থেকে তিনদিনের মধ্যেই সেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।