চাকরিতে গরহাজির,স্পেশাল হোমগার্ডদের তলব

।। প্রথম কলকাতা ।।


জঙ্গলমহল কে শান্ত করার জন্য তৃণমূল সরকার প্রাক্তন মাওবাদীদের স্পেশাল হোম গার্ড পদে নিয়োগ করেছিল। যারা জঙ্গলমহল একসময় সন্ত্রাসের পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন তারাই পুলিশের সবচেয়ে বড় ভরসা। মাওবাদীদের গোপন গতিবিধির ওপর নজর রাখার জন্য পুলিশকে স্পেশাল হোম গার্ড এর উপরেই নির্ভর করতে হয়।

সেই স্পেশাল হোম গার্ডদের একাংশ এখন কাজে যোগ দিচ্ছেন না। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তাদের তলব করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এটি রুটিন কাজ বলেই বলা হচ্ছে। তবে এই ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে আলাদা একটা তাৎপর্য রয়েছে। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ীতে মাওবাদীদের পোস্টার উদ্ধার করা হয়। তখন বেলপাহাড়ি পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র। তিনি নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক করেন।

পুলিশ সূত্রের খবর এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার বাসিন্দা পেশায় হোমগার্ড ৩০ জনকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জন স্পেশাল হোম গার্ড। তারমধ্যে রাজু হাঁসদার বাড়ি লালগড়ের খাস জঙ্গলে। তিনি একসময় জনসাধারনের কমিটির আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। রাজুকে দলের নতুন যুব সভাপতি করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে ছত্রধর মাহাতো বলেন রাজু পুলিশের চাকরি করছেন না। উনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

জঙ্গলমহল এলাকার এক অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি বলেন এলাকার একজনকে মেদিনীপুরে ডাকা হয়েছে বলে শুনেছি। ও আগে জনসাধারণের কমিটি করত। পরে পুলিশের চাকরি পায়। এখন বিজেপির সঙ্গে মেলামেশা করছে বলে শোনা গিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকে জঙ্গলমহলে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। তার মধ্যেই মাওবাদীর পোস্টার উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও এর সঙ্গে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।