Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

প্রতিদিন বজ্রাসন সুস্থতার চাবিকাঠি! কেন করবেন, কখন করবেন? জেনে নিন

1 min read

||প্রথম কলকাতা||

সারা দিনের ব্যস্ততার মাঝে শরীর ও মন ভালো রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী যোগাসন। দেহের প্রত্যেকটি ইন্দ্রিয়কে সজাগ রাখতে নিয়মিত কয়েকটি যোগাসন অবশ্যই করা উচিত। তবে শরীর অনুযায়ী কয়েক বিশেষ যোগাসন বেছে নিতে হবে। যদিও সব আসনেরই ভিন্ন উপকারিতা রয়েছে। এই প্রতিবেদনে জেনে নিন বজ্রাসনের উপকারিতা সম্বন্ধে। তবে তার আগে জানুন এই আসন করার সঠিক সময়।

সাধারণত বিশেষজ্ঞদের মতে, যোগাসন সকাল-সন্ধ্যায় যেকোনো সময়ই করা যায়। তবে খালি পেটে কিংবা খাওয়ার ৩-৪ ঘন্টা পরে শরীরচর্চা করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু এই আসনের ক্ষেত্রে নিয়ম খানিক অন্য। বজ্রাসন হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, এই আসনের ভঙ্গিমা খাদ্য পরিপাক প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে। তাই খাওয়ার পরে বজ্রাসনে বসলে স্বাস্থ্য উপকারিতা দ্রুত অনুভব করা যায়।

এবার জানুন বজ্রাসনের উপকারিতা-

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে

বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে জানা গেছে বজ্রাসন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে। কারণ এই যোগাসন শরীরে ইনসুলিন হরমোনের কার্যকারীতা উন্নত করে। এছাড়াও এর নিয়মিত অভ্যেস ডায়াবেটিস ও অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা কমায়।

পেশির শক্তি বৃদ্ধি করে

বজ্রাসন শরীরে পেশি টানটান রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে হাঁটুর জয়েন্ট বা সন্ধিস্থলে, উরু বা থাই, পা, পিঠ এবং মেরুদণ্ডের পেশি গুলির স্থায়িত্ব এবং শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

হার্ট ও মস্তিষ্কের কর্ম ক্ষমতা বাড়ায়

বজ্রাসন করার সময় আমরা যেভাবে বসি এবং অঙ্গভঙ্গিমা করি তার ফলে হার্ট ও মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় ফলে হার্ট ও ব্রেনের নানান সমস্যা হওয়ার ঝুকি কমে ও কার্য ক্ষমতা বাড়ে।

হাঁটু ও গোড়ালির বাত নিরাময় হয়

বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে প্রমাণিত বজ্রাসনের নিয়মিত অভ্যেস হাঁটু ও গোড়ালির বাত উপশমে সক্ষম। এছাড়াও পায়ের পাতা অবস হওয়া বা ঝিঁঝি ধরার সমস্যা দূর করে।

হজম শক্তি উন্নত করে ও অনিদ্রার সমস্যা কমায়

আগেই বলা হয়েছে খাওয়ার পর বজ্রাসন করলে তা বদহজমের সমস্যা কমায়। এর ফলে পেটে জ্বালা ভাব, আলসার, গ্যাস-অম্বল, অ্যাসিডিটি, কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। এছাড়াও যারা অনিদ্রায় ভোগেন তাদের জন্য এই যোগাসন খুব উপকারি।

সব বয়সের মানুষই এই আসন করতে পারেন। তবে গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে এই আসন করার আগের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া একান্ত কাম্য।

Categories