Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Amal Dutta: ডায়মন্ড কোচের প্রয়াণ দিবসে স্মৃতিচারণা অলোক-অসীমের

1 min read

।।শুভদীপ ব্যানার্জি।।

আজ শনিবার বিখ্যাত কোচ অমল দত্তের প্রয়াণ দিবস। প্রিয় কোচের প্রয়াণ দিবসে স্মৃতিচারণা করলেন অলোক মুখোপাধ্যায়, অসীম বিশ্বাসরা।

অলোক মুখোপাধ্যায় বলেন, “১৯৮৪ সালের স্মৃতি আমি কোনওদিন ভুলতে পারব না। সেবার আমি ইস্টবেঙ্গলে ছিলাম। অমলদা ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ। আমি আলসারের জন্য তিন মাস অসুস্থ ছিলাম। আইএফএ শিল্ডের সেমিফাইনাল পর্যন্ত খেলতে পারিনি। কিন্তু ফাইনালে বড় চমক অপেক্ষা করছিল। আমি মাত্র ১৫ দিন অনুশীলন করেছিলাম। ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছিলাম। ফাইনালের আগের দিন অমলদা আমাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তুই খেলবি?’ আমি বললাম, আমি তো তিন-চার মাস খেলিনি। অমলদা বললেন, ‘তাতে কী হয়েছে।’ সেদিন হালকা প্র্যাকটিস করলাম। যদিও টিমের সঙ্গে প্র্যাকটিস করিনি। সবাই জানত আমি খেলব না।ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকরাও জানতো যে আমি খেলব না।কিন্তু সকলকে অবাক করে ফাইনালে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে আমি খেললাম।গোললাইন সেভও করলাম। আমরা জিতলাম ১-০ গোলে। শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হলাম। অমলদা রিক্স নিতে জানতেন। কোনও কোচ এমন সাহস দেখাতে পারতেন না। কিন্তু অমলদা সেদিন দেখিয়েছিলেন। আমি কোনওদিন ভুলব না ওই ম্যাচের স্মৃতি।”

অমল দত্তের অপর প্রিয় ছাত্র অসীম বিশ্বাসও প্রিয় কোচের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বলেন, “আমার প্রিয়তম কোচ। প্র্যাকটিসে গোল করলে তিনি টাকা দিতেন। ২০০২ সালে এয়ারলাইন্স ট্রফিতে যখন গোল করেছিলাম তখন ১০০ টাকা দিয়েছিলেন অমলদা। সেই সময় ১০০ টাকার অনেক দাম ছিল। টাকা পেয়ে খুব ভালো লেগেছিল। শুধু টাকার জন্য নয়, বিভিন্ন রকমের প্র্যাকটিস করাতেন। বিভিন্ন পজিশন থেকে গোল করতে পারলে খুব খুশি হতেন।”

রহিম নবি সেভাবে খেলেননি, তবুও অমলদার কোচিংয়ে মুগ্ধ। তিনি বলেন, “অমলদা আমাকে খুব ভালোবাসতেন। আমাকে সবসময় সাপোর্ট করতেন। বলতেন এই ছেলেটাকে স্ট্রাইকারে খেলাও। সেভাবে টিপস না পেলেও এমন একজন কোচকে আমি কোনওদিন ভুলতে পারব না।’

Categories