Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

ভুল কিছু নিশ্চয়ই হয়েছে না হলে হারবো কেন, আর কী লিখলেন বাবুল?

।।সুদীপা সরকার।।


ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন জেলায় জেলায় হিংসার ছবি উঠে আসছে। হিংসার ঘটনায় ইতিমধ্যেই অনেকের মৃত্যু হয়েছে।বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির কার্যকর্তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে । দোকানপাট লুঠ করছে। কার্যকর্তাদের বাড়ির ওপর ভাঙচুর চালাচ্ছে।

এবার এই বিষয়ে বাবুল সুপ্রিয় নিজের ফেসবুক পেইজে একটি পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন আজ যে সন্ত্রাস হচ্ছে চারিদিকে সে নিয়ে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। এই আমাদের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী যিনি বলেই রেখেছিলেন যে এটা হবেই। এটা ওনার রাজনৈতিক প্রচার এর অবিচ্ছেদ্য অংশই ছিল। হুমকি উনি দিয়েই রেখেছিলেন।আজ বিজেপির অনেক ভুলের কথা বলা হচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক দলই ধোয়া তুলসী পাতা নয়। ভুল কিছু নিশ্চয়ই হয়েছে নইলে হারবো কেন!!কিন্তু গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি বিজেপি জিতলে  এই জিনিস কখনো হতো না।আজ বাংলা জ্বলছে এতগুলো মানুষকে খুন করা হল গতকাল থেকে আজ, সম্রাট নিরোর  মত দিদিমণি আগামীকাল সংবিধান কে সাক্ষী রেখে শপথ নেওয়ার প্রস্তুতি করছেন। কিন্তু ভিডিওটা দেখুন।বাংলার নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী তো বলেই রেখেছিলেন যে এটাই হবে।

বাবুল সুপ্রিয় তাঁর পোস্টটিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যাচ্ছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা না  নেবে আগামী দিন তো আমরাই থাকবো তখন আমরা দেখে নেবো। এই পোস্টটিতে অনেকেই কমেন্ট করেছেন একজন লিখেছেন খেলা শুরু হয়ে গেছে বাবুল দা। আপনারা সাবধানে থাকবেন। আবার একজন লিখেছেন নেতারা এখন সেফ। আর এখন বিজেপির নেতারা আবার বাইরে থেকে এসে বিদ্বেষ ছড়াতে চাইছে। ওনাদের কাছে সাধারণ কর্মীদের দাম নেই। আবার একজন লিখেছেন এখনো পর্যন্ত যেসব বিজেপি কর্মীরা ঘরছাড়া হয়েছেন তারা জন্য তৃণমূলকে দোষ না দিয়ে দিলীপ ঘোষের কাছে জবাব চান সায়ন্তন বসুর কাছে জবাব চান। আবার একজন লিখেছেন ভাবতে অবাক লাগে এই মানুষটি একটা শিল্পী। হেরেও লজ্জা নেই।

আবার একজন লিখেছেন এই হারের জন্য আপনাদের মত কিছু নেতা দায়ী। টাকার বিনিময় চোর গুন্ডাদের টিকেট দিয়েছিলেন এর দায়িত্ব আপনারা এড়াতে পারবেন না।
একজন লিখেছেন জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে এই কথার সাইড এফেক্ট হল। এবারের নির্বাচনের শুরু থেকেই বিজেপি দাবি করে এসেছিল এবার তারা 200 বেশি আসন পাবে। কিন্তু ১০০ পার করতে পারেনি বিজেপি। তারপর থেকে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি করছেন  তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে। আবার অন্যদিকে মানুষ কেন বিজেপিকে বেছে নিল না তার জন্য দলের অন্দরেই দোষারোপের পালা শুরু হয়েছে।