Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

গদ্দারদের আর দলে ঠাঁই নেই, বললেন জ্যোতিপ্রিয়

Jyotipriya-21122020

।। ময়ুখ বসু ।।

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগীদের দলে ফেরানোর ইঙ্গিত দিলেও গদ্দারদের যে আর দলে ফেরানো হবে না তা সাফ জানিয়ে দিলেন উত্তর ২৪ পরগণা জেলার  হাবড়া বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।  তিনি বলেন,  এখন দেখবেন,  বিজেপির লোকেরা তৃণমূল ভবনের আশাপাশে দেওয়ালে লিখে রাখবে, একবার ডাকলেই যাই। তৃণমূলে আসার জন্য এখন নানা ফন্দি ফকির বের করবেন বিজেপির নেতা নেত্রীরা।  কিন্ত তৃণমূলে ফেরার ডাক আর পাবে না ওরা। গদ্দারদের আর দলে ঠাই নেই। একুশে ওরা (বিজেপি) বাংলা ছাড়া হয়েছে, ২০২৪ সালে ওদের দেশছাড়া করবো।

এদিন জ্যোতিপ্রিয় বলেন,  আজ যদি বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় আসতো তাহলে গোটা রাজ্যজুড়ে ভয়ংকর পরিবেশ সৃষ্টি করতো ওরা। গত  ৪৮ ঘন্টা হলো রাজ্যের  ফল প্রকাশিত হয়ে গেছে। ওরা যদি ক্ষমতা পেতো তাহলে এই ৪৮ ঘন্টায় আমাদের অন্ততপক্ষে ৪৮০০ কর্মী খুন হয়ে যেত। আমরা কিন্তু ওই ধরনের রাজনীতি করি না। আমাদের সব কর্মীদেরকে বলে দিয়েছি কোন মারধোর না। রাজ্যে এখন  কোভিড পরিস্থিতি খুব খারাপ। তাই সাধারণ  মানুষের পাশে থাকুন। মানুষকে সচেতন করুন।

মঙ্গলবার দুপুরে হাবড়া বিধানসভা এলাকায় কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় এক জরুরী আলোচনায় এসে এমনটাই জানালেন  হাবড়ার বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, আজ মার তো দিকে দিকে একতরফাভাবে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা খাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে। আইএসএফকে দিয়ে করাচ্ছে ওরা। বিজেপি এখন ফ্রন্টে আসতে পারছে না। তাই পয়সা দিয়ে আইএসএফকে বিভিন্ন জায়গায় নামিয়ে দিচ্ছে। জ্যোতিপ্রিয় এদিন, নন্দীগ্রামের কাউন্টিং সেন্টারের ঘটনাকে তুলে ধরে বলেন, নন্দীগ্রামে ওরা  যে ঘটনা ঘটিয়েছে তাতে সারা ভারত ছি ছি করছে।

তিনি দাবি করেন, আমাদের রাজ্যেই সবথেকে বেশী শান্তি রয়েছে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা শান্তির বার্তা। আমরা আবির খেলবো না। আমরা রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করবো। এখন পাড়ায় পাড়ায় কোভিড মোকাবিলায় নজর দিচ্ছি আমরা। মানুষকে সচেতন করছি আমরা।  এদিন তিনি অর্জুন সিং রাজ্যে বেড়ে চলা রাজনৈতিক সন্ত্রাসের প্রেক্ষিতে সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগের করার ইচ্ছা প্রকাশ করে যে বার্তা দিয়েছেন সেই প্রসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয় বলেন, অর্জুন সিং নেতাই নয়। অর্জুনকে লিডার বলে আমরা মানি না। পলিটিক্সে কীভাবে গুন্ডা আনতে হয় তার টেনিংটা ওর কাছে নেয় দুস্কৃতীরা।