Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Malda: পুজোর আগে মুম্বইতে পাড়ি, নিখোঁজ বাড়ির ছেলে, কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পরিবারের

1 min read

। প্রথম কলকাতা।

বৃদ্ধ মা এবং চার ভাই-বোনকে নিয়ে অনটনের সংসার। পরিবারের হাল ফেরাতেই পুজোর আগে ভিন রাজ্যে কাজের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিল ঘরের ছেলে। আশা ছিল সেখানে গিয়ে কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে পুজোয় অল্প সময়ের জন্য হলেও বাড়িতে আসবে । তবে তা আর হল কই ? মুম্বইয়ে গিয়ে কাজে যোগ দেওয়ার দিনই নিখোঁজ হয়ে যায় চন্দন ওঁরাও । এখনও পর্যন্ত তাঁর কোনরকম খোঁজ পাওয়া যায়নি বলেই খবর। তাঁর সঙ্গে থাকা বন্ধু-বান্ধবরাও কোন রকম ভাবেই খোঁজ খবর দিতে পারেনি তাঁর। যার কারণে প্রতিদিন দুশ্চিন্তার মধ্যে কাটছে ওই পরিবারের। আদৌ চন্দন সুস্থ আছে তো ? প্রাণে বেঁচে রয়েছে তো সে ? এই সমস্ত প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে পরিবারের সদস্যদের মাথায়।

চন্দন ওঁরাও নামে বছর বাইশের এই যুবক মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত বাইসা গ্রামের বাসিন্দা । বাবা গত হয়েছেন দীর্ঘদিন আগে । বৃদ্ধ মা বাড়িতে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। চার ভাই এবং এক বোনকে নিয়ে অভাবের সংসারে কোনরকম করে দিন যাপন চলছিল। তাই মুম্বইয়ে সে পাড়ি দিয়েছিল পাইপ লাইনের কাজ করার জন্য। গত ৪ঠা অগাস্ট বাড়ি থেকে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে মুম্বইয়ে যায় চন্দন। এর আগে সে দিল্লি , ব্যাঙ্গালোরের মত জায়গায় কাজ করেছে কিন্তু মুম্বইয়ে এই প্রথম কাজ ছিল তাঁর । সেখানে পৌঁছানোর পর একদিন বিশ্রাম নিয়ে কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু যেদিন কাজে যোগ দেওয়ার কথা সেদিন থেকেই তাঁর আর কোনরকম খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি ।

চন্দনের ভাই নিরঞ্জন ওঁরাও জানান, মুম্বইয়ে পৌঁছানোর পর চন্দনের সাথে একবার কথা হয় তাদের । সেদিন বিশ্রাম নিয়ে পরের দিন কাজে যোগ দেবে বলে জানিয়েছিল সে। কিন্তু চন্দনের বন্ধুরা ফোন করে জানায় কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিল সে ঠিক কথা কিন্তু তারপর আর তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে মুম্বইয়ে তাঁরা যেখানে থাকতো সেই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানাতেও চন্দনের নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে তাঁর ভাই।

নিরঞ্জনের আশঙ্কা তাঁর দাদাকে অপহরণ করে হয়তো খুন করা হয়েছে। পুজোর আগে পরিবারে এই ধরনের একটি অঘটনের ফলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের সমস্ত আনন্দ ম্লান হয়ে গিয়েছে। অন্যদের মতো তাঁরাও আশা করেছিলেন যে পুজোর সময় ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসবে । কিন্তু সেই আশা আদৌ পূরণ হবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট আশঙ্কায় চন্দনের পরিবার। দুই রাজ্যের পুলিশের কাছেই নিরঞ্জনের আবেদন যত দ্রুত সম্ভব খোঁজ করা হোক চন্দনের।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories