Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

North 24 Parganas : বাড়ি থেকে বেরোতেই অপহরণ! গণধর্ষণের শিকার ফের এক নাবালিকা

।। প্রথম কলকাতা।।

রাজ্যের নারী সুরক্ষাকে বারবার প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে একের পর এক ধর্ষণকাণ্ড। হাঁসখালি, মালদা, ভাঙর সহ আরও বিভিন্ন জায়গার নৃশংস ধর্ষণকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। শিশু থেকে শুরু করে নাবালিকা এমনকি বিশেষভাবে সক্ষম মহিলারাও এই ধরনের যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে চলেছেন ক্রমাগত। আবারও রাজ্যে ঘটে গেল এক গণধর্ষণের ঘটনা। নিজের বাড়ি থেকে বেরোতেই দুষ্কৃতীদের দ্বারা অপহৃত হয় এক নাবালিকা। আর তারপর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় তাকে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নাবালিকা।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দেগঙ্গা থানার অন্তর্গত এলাকায় ঘটে এই ঘটনাটি। শুক্রবার ওই নাবালিকাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় বারাসাত হাসপাতালে । হাবরা থানার অন্তর্গত রাউতারা পঞ্চায়েতের দক্ষিণ মালিগ্রামের বাসিন্দা ওই নাবালিকা। গতকাল রাতে সে তাঁর বাড়ি থেকে বেরিয়ে কাছে একটি দোকানে গিয়েছিল। তবে সেই দোকান থেকে আর বাড়িতে ফিরতে পারেনি ওই নাবালিকা। ফেরার পথেই তাকে অপহরণ করে দুই দুষ্কৃতী। নাবালিকাকে খোঁজাখুজি শুরু হলে প্রায় মাঝ রাতের দিকে জানা যায় তাদের গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে একটি পেঁপে খেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে সে।

নির্যাতিতা ওই নাবালিকার বাবা জানান, গতকাল তিনি তাঁর চোদ্দ বছরের মেয়েকে বাড়ির পাশে একটি দোকানে পাঠিয়েছিলেন । কিন্তু দোকান থেকে ফেরার সময় দুজন যুবক তাকে বাইকে করে তুলে নিয়ে আসে একটি পেঁপে খেতে। সেখানেই ধর্ষণ করা হয় তাকে। এরপর দুষ্কৃতীরা নাবালিকাকে সেখানেই ফেলে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন ওই নাবালিকার বাবা । তাকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় বারাসাত হাসপাতালে।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছিল এই নাবালিকাকে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। যার কারণে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন ওই নাবালিকাকে স্থানান্তরিত করে আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাবার জন্য। অন্যদিকে পরিবারের অভিযোগ, এই ঘটনাটি দেগঙ্গা থানার অন্তর্গত এলাকায় ঘটায় তাঁরা অভিযোগ জানাতে যান সেখানে। তবে দেগঙ্গা থানার কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকরা ওই নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেন। প্রথমে পুলিশের তরফ থেকে কোনরকম সহযোগিতাই পাননি তাঁরা । পরবর্তীতে থানার বড়বাবুর সহযোগিতায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। এখনও পর্যন্ত এই ধর্ষণকাণ্ডে কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি, এমনটাই জানিয়েছেন ওই নির্যাতিতার বাবা। তিনি এই ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories