Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Iran Hijab Row: হিজাবের জন্য মরতে হত না ইরানি মহিলাদের! পরতেন মন পছন্দের পোশাক

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

হিজাব বিতর্কের আগুনে উত্তেজিত সমগ্র ইরান। ২২বছরের মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইরান তথা সারা বিশ্বে এখন প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। কেউ বা নিজের মাথার চুল কেটে দিচ্ছেন, আবার কেউ বা হিজাব পুড়িয়ে ফেলছেন। কঠোর পোশাক বিধি সংক্রান্ত আইনের আওতায় তেহরান থেকে মাহসা আমিনি নামক ২২ বছরের তরুণীকে ইরান পুলিশ আটক করেছিল। পরে পুলিশের হেফাজতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ পশ্চিম ইরান জুড়ে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের রক্ষণশীল নেতাদের আচরণের বিরুদ্ধে নারীরা জনসম্মুখে আন্দোলনে নেমেছেন। এই হিজাব বিপ্লবের আগে নাকি মরতে হয়নি ইরানি মহিলাদের। অনেকেই বিকিনি পরে সমুদ্র সৈকতে আসতেন।

বিকিনি পরে সমুদ্র সৈকতে যেতেন ইরানি মহিলারা!

যদি আজ থেকে ৩০ বছর আগে ফিরে তাকান, দেখবেন সেই সময় ইরানের মহিলারা হিজাব নিয়ে এতটা তটস্থ থাকতেন না। ১৯৭৯ সাল নাগাদ ইরানের রাজতন্ত্র বিরোধী বিপ্লবে সমর্থন জানিয়েছিল বামপন্থী এবং ইসলামপন্থী সংগঠন। এই বিপ্লবকে বলা হয় ইরানি বিপ্লব বা ইসলামিক বিপ্লব। এই বিপ্লবের পরেই বদলে যায় ইরানের সামাজিক পরিবেশ। তার আগে মহিলাদের পোশাক শৈলীতে স্পষ্ট পাশ্চাত্যের ছাপ ছিল। ইরানের রাস্তায় স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারতেন মেয়েরা। সেই সময়ের ছবি অনুযায়ী, মেয়েরা জিন্স,মিনি স্কার্ট কিংবা শর্টহাতা টপ পড়ে ঘুরে বেড়াতে পারতেন। এমনকি সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পরতেও দেখা গিয়েছিল। চোখে থাকতো নানান ধরনের রোদ চশমা। এমনকি প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার বন্ধু কিংবা পরিবারের সঙ্গে বহু মানুষ পিকনিকে যেতেন।

সেই সময় তেহেরানে মহিলাদের জন্য সেলুনে ছিল, যেখানে মেয়েরা খোলা চুলে অনায়াসে যেতে পারতেন। ক্ষমতায় আসার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেইনি আদেশ দিয়েছিলেন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব মহিলাকে হিজাব পরতে হবে। তবে বাড়ির মধ্যে মহিলারা নিজেদের ইচ্ছামত পোশাক পরিধান করতে পারে। কিন্তু বাইরে বেরোতে হবে সংযত হয়ে। তখন সমুদ্র সৈকতে মহিলাদের সাঁতার পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়।

বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড মানবেন না প্রেসিডেন্ট

২০১৯ সালের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল। তার পরে ২০২২ এ এত বড় বিক্ষোভের সম্মুখীন হয়েছে প্রেসিডেন্টে ইব্রাহিম রাইসিস সরকার। বৃহস্পতিবার তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে জানিয়েছেন, এই ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়াও তিনি মাহসা আমিনির মৃত্যুর মামলাটি তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের প্রায় ৫০টি শহরে এখনো বিক্ষোভ অব্যাহত।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories