Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Sayanta-Priyanka: খড়কুটো খ্যাত ‘চিনি’র সাথে চুটিয়ে প্রেম করছেন সায়ন্ত! কীভাবে হল আলাপ?

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

Sayanta-Priyanka Love Story: টলিপাড়ায় কোথাও সম্পর্ক ভাঙছে তো আবার কোথাও জোড়া লাগছে। টলিউডের ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি ছিল সায়ন্ত মোদক (Sayanta Modak) আর দেবচন্দ্রিমা সিংহ রায় (Debchandrima Singha Roy) তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক কারওই অজানা নয়। কালার্স বাংলার ‘কাজললতা’ ধারাবাহিকের সেটে শুরু হয়েছিল এই প্রেমের কাহিনি। কিন্তু গতবছর পুজোর আগেই তাঁদের সম্পর্কে চিড় ধরে। আলাদা হয়ে যায় দুজনের পথ। এরপর সায়ন্তর জীবনে আসে অভিনেত্রী চিনি ওরফে প্রিয়াঙ্কা মিত্র (Priyanka Mitra)। আনুষ্ঠানিক ভাবে এই জুটির প্রেমে এখনও শীলমোহর না পড়লেও যে তাঁরা চুটিয়ে প্রেম করছেন তা দুই তারকার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল দেখলেই স্পষ্ট। সম্প্রতি প্রিয়াঙ্কার জন্মদিনে গ্রান্ড সেলিব্রেশন আয়োজন করেছিলেন সায়ন্ত। সেসব ছবি ধরা পড়েছে তাঁদের নেট দুনিয়ায়। কিন্তু কীভাবে আলাপ হল এই জুটির? সম্প্রতি প্রেম-পুজো-বিয়ে নিয়ে মজার আড্ডায় সেকথা জানালেন সায়ন্ত-প্রিয়াঙ্কা।

কীভাবে আলাপ হয়েছিল সায়ন্ত-প্রিয়াঙ্কার? সায়ন্ত জানায়, “২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে ‘হাম সাফার’ নামক এক মিউজিক ভিডিও শুট করতে গিয়ে আলাপ হয় তাঁদের। কাজের সূত্রে হয় বন্ধুত্ব। মাঝে আর সেভাবে দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। কথা হত ফোন কিংবা টেক্সটে। তবে কাজের বাইরে প্রথম দেখা হয়, ২০২২ সালে। সেটাও আবার রিলেশনে আসার পর।”

দেখা না হয়েই প্রেম? কীভাবে সম্ভব! এখানেও সায়ন্তর কথায়, “দেখা না হলেও তাঁদের মধ্যে কাজের সূত্রে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বটা থেকেই গিয়েছিল। আগেই বলা ফোনে, টেক্সটে কথা হত। তবে সেটা আরও বেড়ে যায় চলতি বছর মার্চ-এপ্রিলের সময়টা করে। সেই থেকেই হয়তো বন্ধুত্বের সম্পর্ক থেকে এগিয়েছে বাকিটা।” একই সাথে সায়ন্তর কথায়, “আমাদের রিলেশনে বন্ধুত্বটাই খুব দৃঢ়। কোথাও গিয়ে আমার প্রিয়াঙ্কার প্রতি একটা আলাদা রেস্পেক্ট আছে। সেটা থেকেই হয়তো এগোয় বাকিটা।”

কিন্তু প্রিয়াঙ্কার মনে কীভাবে বেড়ে উঠলো সায়ন্তর প্রতি ভালোলাগা? অভিনেত্রীর কথায়, “আমি খুব রিসার্ভ। খুব একটা কারোর সাথে মিশে যেতে পারিনা। কিন্তু সায়ন্তর সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে সেটা ফিল করতাম না। ও একেবারে আমার মনের মতো। তবে আমাদের মধ্যে সম্পর্কটা টিপিকাল প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ক নয়। বন্ধুত্বটাই বেশি। তবে অফিসিয়ালি ভাবে প্রেম প্রস্তাব দিয়েছে সায়ন্ত।”

বর্তমানে ‘এক্কা দোক্কা’ ধারাবাহিকে একসাথে দেখা যাচ্ছে এই জুটিকে। কিন্তু ধারাবাহিকে দুজনের চরিত্রের প্লট আলাদা হওয়ায় শুটিং হয় আলাদা দিনে। শুটিংয়ের মাঝে খুব একটা দেখা হয়না বললেই চলে। এর মাঝে দুজন দুজনকে সময় দেওয়া হয় কীভাবে? সায়ন্ত-প্রিয়াঙ্কার কথায়, “কাজ প্যাকআপের পর আমাদের আধ ঘন্টা, ১৫ মিনিট কিংবা এক ঘন্টার জন্য হলেও মিট করতেই হয়।”

প্রেম জীবনে প্রথম পুজো-প্রথম অষ্টমী। অঞ্জলী টাও কী একসাথে দেওয়া হবে? প্রিয়াঙ্কার কথায়, “আমি এক্সট্রিম নর্থ আর ওঁ এক্সট্রিম সাউথ। পুজোর অঞ্জলি একসাথে দেওয়াটা খুবই একটু চাপের। তবে হ্যাঁ অঞ্জলী একসাথে দিতে না পারলেও তারপর নিশ্চই একসাথে থাকার প্ল্যান রয়েছে।”

পুজোয় ঘোরাফেরা-খাওয়া দাওয়া তো আছেই। কিন্তু দুজনের পছন্দের খাওয়ার কী? এক সাথেই তাদের উত্তর ননভেজ। পুজোয় ভেজের কোনও প্রশ্নই নেই। প্রিয়াঙ্কার কথায়, “আমি তো একদিনের বেশি ননভেজ না খেয়ে থাকতে পারিনা।” কিন্তু কখনও সায়ন্তকে কে রান্না করে খাইয়েছে প্রিয়াঙ্কা? উত্তর আসে না। সায়ন্ত জানায়, “সবসময় শুনেছি এটা পারে ওটা পারে। কিন্তু এখনও সেগুলো খাওয়ার সুযোগ হয়নি।”

এখানেই শেষ নয়, লম্বা আড্ডার মাঝে উঠে আসে সায়ন্ত-প্রিয়াঙ্কার মধ্যে একে অপরের প্রতি ভালোলাগার বিষয়। জানা যায়, সায়ন্তর থেকে প্রিয়াঙ্কার পাওয়া প্রথম উপহার গোলাপ। এছাড়াও দুজনের মধ্যে একে অপরকে খুব ভালো করে বোঝার ক্ষমতা রয়েছে এই জুটির। তাই কখনোই কেউ কারোর ওপর খুব বেশিক্ষন রাগ করে থাকতে পারেনা।

বর্তমানে টলিউডের এই জনপ্রিয় জুটির প্রেম জানতে বাকি আর কেউ নেই। কিন্তু বাড়িতে কীভাবে কে প্রথম জানিয়েছিল সম্পর্কের কথা? সে প্রসঙ্গ উঠতেই সায়ন্ত জানায়, “বাড়িতে সবার প্রথম প্রিয়াঙ্কা জানায়। আমি পরে জানিয়েছি। তবে আমার জানানোর আগেই মা অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়ার থ্রু জেনে গিয়েছিলো।” উল্লেখ্য ইতিমধ্যে পুজোয় সায়ন্তর পরিবার থেকে উপহারও পেয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories