Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির উপস্থাপনা থিমের মাধ্যমে, ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর পুজোয় এবার বিশেষ চমক

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

উৎসবপ্রেমী বাঙালিদের সব থেকে বড় পার্বণ দুর্গা পুজোর আর দিন দশেকও বাকি নেই। যে উৎসবের জন্য বঙ্গসন্তানরা সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন তা এবার একেবারে দোরগোড়ায় । দেবী দুর্গা তাঁর সন্তান-সন্ততিদের নিয়ে এবার কৈলাস থেকে মর্ত্যে নেমে আসবেন পাঁচ দিনের জন্য। আর সেই পাঁচ দিন আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠবে বাঙালিরা। এর জন্যই তো এত আয়োজন এত জাঁকজমক। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয় রাজ্যের বাইরে এমনকি দেশের বাইরেও যে সকল বাঙালি সন্তানরা রয়েছেন তা্রা এই দুর্গা পুজোকে নিজেদের মতো করে উপভোগ করে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

তবে যারা রাজ্যে রয়েছেন তাদের কাছে দুর্গা পুজোকে উপভোগ করার আরও বেশ কিছু উপায় থাকে । যেমন ধরুন খাওয়া দাওয়া, সাজ পোশাকের পাশাপাশি থাকে প্যান্ডেল হপিং। একেবারে সাধারণ পুজো থেকে শুরু করে থিম পুজো সবমিলিয়ে জমে যায় পুজোর এই কয়েকটি দিন। ইতিমধ্যেই পাড়ায় পাড়ায় ক্লাবগুলি নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় নেমে গিয়েছে। কাদের থিম ,কাদের মণ্ডপ সজ্জা দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে সক্ষম হবে এই নিয়েই এখন যত চিন্তা যত ব্যস্ততা। একই রকম ছবি দক্ষিণ কলকাতার একাধিক ক্লাবের। চলছে জোরদার লড়াইয়ের প্রস্তুতি। তারই মধ্যে অন্যতম হিসেবে নাম উঠে আসে এই ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর।

আসুন জানা যাক এই বছরে তাদের থিম সম্পর্কে-

ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর পুজো বিগত কিছু বছর ধরে দর্শনার্থীদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে নিজেদের অভিনব থিমের মাধ্যমে । তাঁরা যে বিষয়টিকে নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছেন তাকে থিমের মাধ্যমে উপস্থাপিত করতে কোনরকম ফাঁক রাখেননি। তাই এই বছরেও তাদের কাছ থেকে তেমন কিছু থিমেরই আশা রাখছেন দর্শনার্থীরা । জানা গিয়েছে ভবানীপুর ৭৫ পল্লীর এই বছরের থিম হতে চলেছে ‘ঐতিহ্য বেঁচে থাকুক’। বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার ঐতিহ্য যে কতটা মানুষকে আকর্ষণ করে তা বলাই বাহুল্য । কিন্তু সেই সংস্কৃতি , সেই সকল প্রাচীন ঐতিহ্যগুলির ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পথে।

তাই এবারের ভবানীপুর ৭৫ পল্লী নিজেদের মণ্ডপ সাজিয়ে তুলতে চলেছেন বিভিন্ন প্রাচীন চিত্রকলা এবং শিল্পকলাকে কাজে লাগিয়ে। গোটা মণ্ডপ জুড়েই দেখতে পাওয়া যাবে পটশিল্প । এই পুজো কমিটির অন্যতম উদ্যোক্তা সায়ন দেব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই বছরই ইউনেস্কোর তরফ থেকে বাংলাকে এক বিরাট সম্মান দেওয়া হয়েছে দুর্গা পুজোকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে । তাই তাঁরাও নিজেদের মণ্ডপে বাংলার হারিয়ে যাওয়া শিল্প ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছেন।

এর মাধ্যমে পটশিল্প তার হারানো খ্যাতি ফিরে পাবে বলেই আশাবাদী উদ্যোক্তারা। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, মণ্ডপটিকে সাজিয়ে তোলার জন্য মেদিনীপুর জেলার বহু পটশিল্পীরা কাজ করেছেন এবং তাঁরা নিজেদের সমস্ত শিল্পকর্ম বিক্রি করতে পারবেন পুজো মণ্ডপের পাশেই। তাই পুজো কমিটির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাতে তাঁরা এই বছরেও আহ্বান করেছেন শহর থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শনার্থীদের।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories