Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Pakistani Father Burned His Son: হোমওয়ার্ক নয়, ঘুড়ি ওড়াতে চেয়েছিল শিশুটি! কেরোসিন ছিটিয়ে পুড়িয়ে মারল বাবা

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

১২বছরের ছেলে, বয়সটা বেশ কম। এই বয়সে শিশুরা হোমওয়ার্ক না করার জন্য জেদ ধরে। সে চেয়েছিল ঘুড়ি ওড়াতে। হোমওয়ার্ক না করার বিষয়টি একেবারে মেনে নিতে পারেনি শিশুটির বাবা। হঠাৎ রেগে গিয়ে ঘটালেন এক ভয়ঙ্কর কাণ্ড। জানলে আপনার গায়ে কাঁটা দেবে। এই ঘটনা বাবা-ছেলের সম্পর্ককে যেন লজ্জায় ফেলে দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, একজন বাবা কিভাবে এমন কাজ করতে পারলেন।

কী ঘটেছিল?

ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৪ই সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের করাচির ওরাঙ্গি টাউনে নাজির নামক এক ব্যক্তি তার নিজের ছেলেকে পুড়িয়ে মেরেছেন। নিজের হাতে তিনি তার ১৩ বছরের ছেলে শাহিরের গায়ে কেরোসিন ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এক্ষেত্রে শাহিরের একটাই দোষ, সে স্কুলের হোমওয়ার্ক করেনি। শিশুটির মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বাবাকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শিশুটি গুরুতরভাবে ঝলসে যাওয়ায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

শিশুর বাবার অদ্ভুত বয়ান

বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে আসামিকে সোমবার হাজির করা হলে তাকে ২৪শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশে হেফাজতে রাখতে বলা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্ত জানিয়েছেন, ছেলেকে হত্যা করার তার কোন ইচ্ছা ছিল না। তিনি ছেলেকে ভয় দেখানোর জন্য গায়ে কেরোসিন ছিটিয়ে দিয়েছিলেন। যাতে সে স্কুলের সব হোমওয়ার্ক শেষ করে। তিনি তার বয়ানে আরো জানান, ছেলেকে ভয় দেখানোর জন্য একটি ম্যাচ জ্বালিয়েছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করেই কেরোসিনে আগুন ধরে যায়। যার কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

শিশুটি চেয়েছিল ঘুড়ি ওড়াতে

স্থানীয় মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ অফিসার সেলিম খান জানান শাহির স্কুলের পড়া শেষ করার পরিবর্তে ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য জেদ করেছিল। তাই তার বাবা নাজির অত্যন্ত রেগে যায় এবং তিনি তার ছেলেকে স্কুলের বাড়ির কাজ সংক্রান্ত নানান প্রশ্ন করতে থাকেন। কিন্তু শাহির সেই প্রশ্নের সন্তোষজনক কোন উত্তর দিতে পারেনি। তাই তার বাবা রেগে গিয়ে এমন জঘন্য ঘটনা ঘটিয়েছেন।

ছেলের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন মা। তিনি ঘর থেকে একটি কম্বল এনে ছেলেকে চাপা দেন। মা এবং বাবা সেই পরিস্থিতিতে চেষ্টা করেছিলেন ছেলেটিকে বাঁচানোর। কিন্তু ততক্ষণে শিশুটির শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঝলসে গিয়েছে। ডেইলি মেইলের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ই সেপ্টেম্বর শাহিরের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার দুই দিন পর শিশুটির মা তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories