Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Home of plastic bottles: প্লাস্টিক বোতলের বুলেট প্রুফ বাড়ি! তাক লাগালেন চিকিৎসক

।। প্রথম কলকাতা ।।

ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বোতল থেকে তৈরি হল বুলেট ফ্রুট বাড়ি। এই বাড়ির বেশ বড় ধরনের ঝড়ঝাপটা অনায়াসে সইতে পারবে। প্রথমে যখন এই বাড়িটির পরিকল্পনা করা হয় তখন পাড়ার বহু লোক হেসেছিলেন। আর এখন এলাকা জুড়ে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে এই বাড়ি। ঘটনাটি বাংলাদেশের বরিশালে। দন্ত চিকিৎসক পলাশ চন্দ্র বাড়ৈ রংবেরঙের ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে প্রায় পাঁচটি ঘর বিশিষ্ট বাড়ি তৈরি করেছেন। আপনি যদি বরিশালের আগৈল ঝাড়া উপজেলার রামানন্দেরআঁক গ্রামে যান দেখতে পাবেন, এখনো বাড়িতে নির্মাণ কাজ চলছে। এলাকাবাসী প্রথমে বোতল দিয়ে বাড়ি তৈরির কথা শুনে হেসেছিলেন। এখন তারাই বাড়িটি নিয়ে গর্ব করেন।

মূলত জাপানি প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্লাস্টিক বোতল দিয়ে এই বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার প্লাস্টিকের বোতল। এত পরিমান বোতল কেনা হয়েছে বিভিন্ন ভাঙারির দোকান থেকে। এই বোতল গুলিকে অনেকটা কমেছে ইঁটের মতো ব্যবহার করা হয়েছে। বোতলের মধ্যে বালি ভরে গাঁথা হয়েছে দেওয়াল। আপাতত এই চিকিৎসকের পরিকল্পনা রয়েছে, বাড়িটি দোতলা করার। বাড়িটি তৈরি করতে খরচ পড়বে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। তবে ইঁট সিমেন্ট দিয়ে বাড়ি তৈরি করতে যে পরিমাণ খরচ হবে তার থেকে অন্তত ৩০ শতাংশ কম খরচে বাড়িটি বানানো যাবে।খরচ যেমন কমবে ঠিক কিন্তু কতদিন এই বোতল বাড়ি টেকসই হবে এবং পরিবেশের জন্য কতটা উপযুক্ত তা নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। এই ধরনের অভিনব পদ্ধতিতে বাড়ি তৈরি করতে পেরে বেজায় খুশি রাজমিস্ত্রিরা।

যদিও বাংলাদেশে এই ঘটনা প্রথম নয়, এর আগেও ২০১৭ সালে প্লাস্টিক বোতলের বাড়িতে কেন্দ্র করে রীতিমত হইচই পড়ে গিয়েছিল। ইঁট পাথরের সঙ্গে সুরকি সিমেন্ট মিশিয়ে বাড়ি তৈরি হয়নি, তৈরি হয়েছিল প্লাস্টিক বোতল দিয়ে। লালমনিরহাটে কালীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম নওদাবাসে অনেক কম খরচে প্লাস্টিকের বাড়ি বানানো হয়। বাড়িটি তৈরি করেছিলেন রাশেদুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী আসমা খাতুন। এই বোতল বাড়িতে রয়েছে চারটি থাকার ঘর, দুটি বাথরুম, রান্নাঘর সহ বারান্দা। এছাড়াও সেপটিক ট্যাংক এবং মেঝেতেও বোতল ব্যবহার করা হয়েছিল।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories