Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Kunal Ghosh: ‘নারী শক্তিকে অপমান করা হচ্ছে’, শুভেন্দুর আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ কুণালের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

এবার শুভেন্দুর আক্রমণের পাল্টা জবাব দিলেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। তাঁর কথায়, ‘নারী শক্তিকে অপমান করা হচ্ছে। অভিষেকের সঙ্গে মোকাবিলা করতে পারছে না। ওঁকে দেখলেই পা কাঁপছে। অভিষেক এখনই অনেক বড় নেতা। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আচরণে আমরা ক্ষুব্ধ। ব্যক্তিগত আক্রমণে যদি যেতে হয়, আমাদের কাছে রসদ বা উপাদানের কোনওকিছুরই অভাব নেই। রাজনীতি করতে এসে এত নিচে নামছে, সব সময় বিশেষণ প্রয়োগ এটা কোনওভাবেই কাম্য নয়’।

তৃণমূলের সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দুর আচরণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা। শশী পাঁজার বক্তব্য, ‘শুভেন্দুবাবু যে প্রশ্ন তুলেছেন তাতে দায়িত্ব জ্ঞান-হীনতার পরিচয় পাওয়া গিয়েছে। তার জবাব তাঁকে নিজেকেই দিতে হবে। পশ্চিমবাংলার এটা কালচার নয়। বাংলা এই ধরনের ভাবনাচিন্তা রাখে না। এটা তাঁদের নেতা অর্থাৎ দেশের প্রধানমন্ত্রীর কালচার হতে পারে! যেখানে নারী শক্তির কথা সকালে বলার পর তিনি সন্ধ্যেবেলায় নারী ধর্ষকদের ছেড়ে দেন’।

তাঁর কথায়, ‘নারীকে অপমান করা, নারীর অবক্ষয়ের কথা বলা, মা-কে অপমান করা, দেবীকে অপমান করা মোটেই কাম্য নয়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে যে অপমান করা হয়েছে তা নিয়ে বলার ভাষা আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আজকে তিনি যে উক্তি করেছেন আর যারা হাততালি দিচ্ছেন তাদেরকে আমরা ধিক্কার জানাই। এটা পশ্চিমবাংলার সংস্কৃতি নয়, এভাবে লড়া যাবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তিনি যা বক্তব্য রেখেছেন, তা নিয়ে আমরা ক্ষুব্ধ, অপমানিত এবং যথেষ্টভাবে বিব্রত। এটি অত্যন্ত অবমাননাকর’।

এদিকে বৈঠকে কুণাল ঘোষ বলেছেন, ‘অভিষেকের দোষ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো! শিক্ষিকার মেয়ে শিক্ষিকা হলে কি সেটা দোষের? বাড়ি থেকে কত দূর একটা কেন্দ্রে গিয়ে কাজ করছেন, বারবার নির্বাচিত হচ্ছেন। অভিষেককে কেন এত হিংসা? সে তো তোমাদের থেকে এত ছোট আর তাতেই তাঁকে দেখে পা কাঁপছে। রাজনীতিতে বিরোধিতা থাকবে। আমার পরিষ্কার কথা, রাজনীতিতে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণ থাকবে কিন্তু তাই বলে এই কথা!’

তাঁর বক্তব্য, ‘তৃণমূলে একসময় ক্ষমতায় থাকা মন্ত্রী যিনি সিবিআই আর ইডি থেকে বাঁচতে গিয়ে যোগ দিলেন বিরোধী দলে। আমরা এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, আপনারা বিরোধী দল, আপনারা বলবেন। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদীর সরকারের যা যা আমাদের অপছন্দ, আমরা বলব, আমরা দুর্নীতির অভিযোগ তুলব কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। কিন্তু তাই বলে নামতে নামতে বিশেষণ যুক্ত করতে করতে, যে প্রতিযোগিতা হচ্ছে তা ঠিক নয়। উন্নয়নের প্রতিযোগিতা হোক। এটা আমরা কোথায় নামছি!’

তাঁর কথায়, ‘নরেন্দ্র মোদী এসে শুরু করেছিলেন ‘ও দিদি’, পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান। আর তার জবাব বাংলার মানুষ ভরপুর দিয়ে দিয়েছে তাঁকে। কিন্তু বাবা-মার পরিচয় নিয়ে ওঁকে এইভাবে আক্রমণ, রাজনীতিতে এসে এতটা নিচে নামতে হবে! যারা বিজেপির নেতা-মন্ত্রী রয়েছেন তাঁরা কথা ঘুরাবেন না। বাবা-মার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে কি আপনারা সমর্থন করবেন? ব্যক্তিগত আক্রমণে যেতে হলে আমাদের কাছে রসদ বা উপাদানের কোনও খামতি নেই। কিন্তু আমরা বারবার বলছি, এটা করবেন না। রাজনীতিটা রাজনীতির ইস্যুতেই রাখুন, আসল বিষয় থেকে সরে গিয়ে কথা বলব, এটা চলে না’।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories