Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Child Psychology: পড়াশোনার জন্য শিশুকে বকাঝকা করছেন? ডাকছেন এই মারাত্মক ৪ ক্ষতি

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

বর্তমানে সবাই যেন ইঁদুর দৌড় প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছে। যারা এই দৌড়ে সামিল হতে পারছেন না তারা পিছিয়ে পড়ছেন। এই দৌড়ে বহু অভিভাবক শিশুদেরকে জোর করে অংশগ্রহণ করিয়েছেন।বর্তমানে তিন বছর বয়স থেকেই শিশুদের স্কুলে পাঠানো হয়। বয়স অনুযায়ী বইতে হয় দ্বিগুণ ওজনের ব্যাগ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকে হোমওয়ার্কের চাপ। প্রতিটি অভিভাবক চান তাদের সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হোক। কিন্তু পড়াশোনায় অমনোযোগী হলে শাসনের নামে অনেকেই রাগারাগি করেন, বকাঝকা করেন কিংবা উচ্চস্বরে ধমক দেন। তবে জানেন কি শিশুকে অতিরিক্ত তিরস্কার করলে কিংবা বকলে এর ফলাফল একেবারে বিপরীত হতে পারে। অনেক অভিভাবক মনে করেন শাসনের নামে বকুনি বাচ্চাদের পড়ায় মনোযোগী করতে পারে। আবার অনেকে নিজেদের রাগ বিরক্তি সন্তানের উপর উগড়ে দিয়ে তৃপ্তিবোধ করেন।

•অতিরিক্ত বকাবকির কারণে একটি শিশু নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলতে পারে। সে মনে করতে পারে যে তার দ্বারা কিছুই হবে না। এমনকি সে যে কোন কাজ করতে গেলেই ভয় পাবে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে এক্ষেত্রে অনেক শিশু অতিরিক্ত বেখেয়ালি হয়ে যায়।

•বর্তমানে বহু বাবা-মা নানান কাজে ব্যস্ত থাকেন। তার উপর শিশুকে অতিরিক্ত বকলে বাচ্চারা ভয়ে মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটাতে চাইবে না। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে এর কারণে বহু শিশু একটু নিজের মতো থাকতে ভালোবাসে। পরবর্তীকালে এই শিশুরা একাকিত্বে ভুগতে পারে।

•যেসব শিশুরা অতিরিক্ত বকুনি কিংবা তিরস্কারের শিকার হয় তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি দেখা দেয়। যা ভবিষ্যৎ জীবনে নানান সমস্যা তৈরি করে। তারা পরবর্তী জীবনেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি পায় না। এমনকি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেও পারিবারিক কিংবা কর্মক্ষেত্রে কোন সিদ্ধান্ত নিতে গেলে দ্বিধাবোধ করে।

•বাইরে কারোর সঙ্গে মিশতে, নতুন বন্ধুত্ব পাতাতে কিংবা নতুন কাজ করার ক্ষেত্রে শিশুরা সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে। তাদের অত্যন্ত প্রয়োজন বাবা-মায়ের সাপোর্ট। অভিভাবকের অতিরিক্ত বকুনির কারণে বাড়ির বাইর হওয়া সমস্যা গুলি তারা বাড়িতে এসে বন্ধুর মতো বলতে পারে না।

শিশু যদি পড়াশোনা একটু অমনোযোগী হয় তাহলে তার সেই অমনোযোগীতার কারণগুলি আগে খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। গাদা গাদা পাঠ্য বইয়ের পড়াশোনা শিশুর উপর চাপিয়ে না দিয়ে তাকে শেখান কিভাবে আনন্দসহকারে পড়াশোনা করা যায়। যদি শিশু একটানা বই পড়তে না চায় কিংবা পড়া মুখস্থ করতে দেরি হয় তাহলে কিছুটা বিরতি দিয়ে কিছু সময় আবার পড়ান। দরকার পড়লে তাকে গল্পের ছলে পড়া বুঝিয়ে দিন। পড়াশোনায় মনোযোগী করতে এবং সামাজিকতা আর নৈতিকতার শিক্ষা দিতে শিশুর পড়াশোনার সঙ্গে খেলাধুলা এবং নানান বিনোদনমূলক কাজ সম্পৃক্ত করুন। প্রয়োজনে তাকে ছোট ছোট উপহার দিন।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories