Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Kalyani University: অন্যের থিসিস নকল করলেন খোদ ডিন? পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

গবেষণাপত্রের সাল এবং গবেষক আলাদা কিন্তু বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে প্রায় একশো শতাংশ মিল। কাজেই একজনের গবেষণা পত্র অন্যজন নকল করেছেন এমনটাই অভিযোগ উঠে এসেছে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে (kalyani University)। আর এই থিসিসের ( thesis) বিষয়বস্তু নকল করার অভিযোগে এবার কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগের ডিনকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিশ্ববিদ্যালয় এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। যদিও এই নকল করার অভিযোগটিকে একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন দেবপ্রসাদ শিকদার (Debprasad Shikdar) ।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ১৯৯৫ সালের একটি গবেষণা পত্র জমা পড়ে । অপর গবেষণা পত্রটি জমা পড়ে ১৯৯৯ সালে । একটি বায়োলজি নিয়ে এবং অপরটি ফিজিক্স নিয়ে করা হয়েছিল । সাবজেক্ট আলাদা হলেও দেখা যায় গবেষণাপত্রের বিষয়বস্তু দুটি একেবারেই এক। ১৯৯৫ সালের ওই গবেষণা পত্রটি কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগে যিনি জমা দিয়েছিলেন তিনি হলেন স্বদেশরঞ্জন সামন্ত । আর তারপর ১৯৯৯ সালে ওই গবেষণা পত্রেরই প্রায় নকল করা গবেষণা পত্র দেবপ্রসাদ শিকদার জমা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এরপর তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার কাজও শুরু করেন।

সাল তখন ২০২১। সেই সময় এডুকেশন বিভাগেরই ডিন পদে নিযুক্ত হন গবেষক দেবপ্রসাদ শিকদার। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধেই গবেষণাপত্র নকল করার এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠে এসেছে। সেই অভিযোগকে খতিয়ে দেখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । আর তারপরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল তাকে ডিন (Dean) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এমনটাই জানিয়েছেন কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ আধিকারিক সুজয় মন্ডল।

ওই রিপোর্টেও বলা হয়েছে যে, থিসিস দুটি একেবারেই এক রকমের। তাই প্রথমে যেহেতু স্বদেশরঞ্জন সামন্তর থিসিস জমা দেওয়া হয়েছিল সেই কারণে তাঁর থিসিসকে নকল করা হয়েছে বলেই অভিযোগ উঠে এসেছে । কিন্তু তদন্ত কমিটির এই রিপোর্টকেও একেবারে অস্বীকার করেছেন দেবপ্রসাদ শিকদার । তাঁর দাবি , এইভাবে বিশ্ববিদ্যালয় তাকে পদ থেকে অপসারণ করতে পারে না। তাঁর নিয়োগ রাজ্য সরকার দ্বারা হয়েছিল । তাই একেবারেই অনৈতিকভাবে তাকে অপসারণ করা হয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ তোলেন তিনি। এদিকে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বলছে, যতক্ষণ না পর্যন্ত দেবপ্রসাদ শিকদারকে নিয়ে নতুন কোন অর্ডার আসছে ততক্ষণ তিনি এডুকেশন বিভাগের ডিন পদের দায়িত্বে থাকবেন না।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories