Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

৯৬ তম জন্মবার্ষিকীতে ভূপেন হাজারিকা, বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন গুগল ডুডলের

1 min read

।  প্রথম কলকাতা ।।

Bhupen Hazarika 96th birth anniversary: আজ ৮ সেপ্টেম্বর। সঙ্গীত জগতের সুর সম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের জন্মদিনের পাশাপাশি আজ জনপ্রিয় শিল্পী তথা ‘ভারতরত্ন’ ভূপেন হাজারিকারও জন্মবার্ষিকী। বেঁচে থাকলে আজ বয়স হত ৯৬ বছর। প্রায় ১০০-এরও বেশি সিনেমায় সঙ্গীত পরিচালনা করা ভূপেন হাজারিকা ১৯২৬ সালে অসমে জন্মগ্রহণ করেন। আজ তাঁর জন্মদিনে বিশেষ শ্রদ্ধা বিশ্বের জনপ্রিয়তম সার্চ ইঞ্জিন গুগল ডুডলের (Google Doodle)। যেখানে দেখা যাচ্ছে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন ভূপেন হাজারিকা। মুম্বইনিবাসী শিল্পী ঋতুজা মালি-র তৈরি এই ইলাস্ট্রেশন মন কাড়ছে সবার। পাশাপাশি ভূপেন হাজারিকাকে সম্মান জানিয়ে এক ব্লগ পোস্টে Google লিখেছে, “শুভ জন্মদিন, ভূপেন হাজারিকা! আপনার গান এবং ফিল্ম অসমের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির প্রতি সম্মান বজায় রাখে।”

স্বাধীনতার বহু বছর আগে ১৯২৬ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর অসমের তিনসুকিয়ার অখ্যাত সাদিয়া গ্রামে জন্ম তাঁর। এরপর ব্রহ্মপুত্রের তীরে বেড়ে ওঠা সেখানকার সংস্কৃতি আর লোকগানকে আঁকড়ে। মাত্র ১০ বছর বয়সে সঙ্গীত জীবনের যাত্রা শুরু করেছিলেন হাজারিকা। ১২ বছর বয়সে, হাজারিকা ইন্দ্রমালতি ও বিশ্ব বিজয়ী নওজোয়ান চলচ্চিত্রের জন্য গান লিখে তা রেকর্ড করেছিলেন। তাঁর গানে বার বার উঠে এসেছে সুখ এবং দুঃখের গল্প, ঐক্য এবং সাহস, রোম্যান্স এবং একাকীত্ব এবং এমনকি দ্বন্দ্ব এবং সংকল্পের গল্প।

শুধু সঙ্গীত পরিচালক নয়, একাধারে ছিলেন কবি, গায়ক, চলচ্চিত্র পরিচালক। পাশাপাশি ছিলেন একজন বুদ্ধিজীবীও। ১৯৪৬ সালে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর ১৯৫২ সালে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস কমিউনিকেশনে PHD করেন ভূপেন হাজারিকা। পাঁচ বছর পর গবেষণার কাজ শেষ করে আসামে ফিরে এসে গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন অধ্যাপনার কাজ করেন। পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্রে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর জন্য অসমীয়া সংস্কৃতি জাতীয় ও বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে।

ছয় দশকের কর্মজীবনে, হাজারিকা সঙ্গীত ও সংস্কৃতিতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য বহু পুরস্কার তথা সম্মান পেয়েছেন। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে জাতীয় পুরস্কার, সঙ্গীত নাটক আকাদেমি অ্যাওয়ার্ড, পদ্মশ্রী (১৯৭৭), দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার (১৯৯২), পদ্ম ভূষণ (২০০১)-এর মতো পুরস্কার। তাঁরে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ (২০১১) এবং ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন (২০১৯) দিয়ে সম্মানিত করা হয়। এছাড়াও তিনি ভারত সরকারের ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন সহ অসংখ্য বোর্ড ও অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পীর মৃত্যু হয় ২০১১ সালের ৫ই নভেম্বর। মাল্টি-অর্গ্যান ফেলিউরের কারণে মুম্বইয়ে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন তিনি। অসমে তাঁর শেষকৃত্যে যোগ দিয়েছিলেন প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories