Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘আমার হাতে চড় খেয়েই দেব-অঙ্কুশ সুপারস্টার হয়েছে’! অকপট দাবি মৌসুমী সাহার

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

টলিউডের তথা বাংলা চলচ্চিত্র জগতের বলিষ্ঠ অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন মৌসুমী সাহা। থিয়েটার থেকে শুরু করে ছোট পর্দা কিংবা বড়পর্দায় সর্বত্র চুটিয়ে অভিনয় করতে দেখা যায় তাঁকে। সম্প্রতি ষ্টার জলসায় শেষ হওয়া ‘খেলাঘর’ ধারাবাহিকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তার আগে ছিলেন ‘খোকাবাবু’, ‘গঙ্গারাম’ এর মতো একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে। তবে সেসব ধারাবাহিকে এমনকি চলচ্চিত্রেও বেশিরভাগ অভিনেতার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। কড়া হাতে শাসনও করেছেন। দিয়েছেন চড় থাপ্পর। আর তাঁর হাতের চড় খেয়েই নাকি টলিউডে দেব-জিৎ সহ অন্যান্যরা হয়েছেন সুপারস্টার। সম্প্রতি টলি টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন অভিনেত্রী।

এদিন নানান কথা আড্ডার মাঝে তাঁর চলচ্চিত্রে বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাথে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই হাসতে হাসতে এই কথা জানান মৌসুমী। বলেন “একটা কথাই বলবো আমি যাদেরকে চড় মেরেছি তারাই কিন্তু সুপারস্টার হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দেব আছে, জিৎ আছে, অঙ্কুশ, সোহম সহ কোয়েল আছে। জানিনা আমার হাতে কোনও মাহাত্ম আছে কিনা।” একই সাথে মৌসুমী জানান, দেব, সোহম, অঙ্কুশের প্রথম ছবিতেই আমার হাতে চড় খেতে হলেও কোয়েল অনেক পরেই খেয়েছেন।’ অর্থাৎ যারা চড় খেয়ে সুপারস্টার হয়েছেন তাঁরা সকলেই নবাগত। প্রসঙ্গত, দেবের প্রথম দিকের ছবি ‘প্রেমের কাহিনি’তে ওর মা হয়েছিলেন অভিনেত্রী।

বলাই বাহুল্য ইন্ডাস্ট্রিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে হয়েছে তাঁর একাধিক সন্তান। সুপারস্টার হওয়া সন্তানদের মধ্যে কে সবচেয়ে ভালো কাছের? জানতে চাওয়া হলে মৌসুমী জানান, ‘সব সন্তানই আমার কাছে সমান। অঙ্কুশকে দেখে প্রথমটা আমার বেশ স্পার্কিং লেগেছিলো। ওঁর অভিনয় কৌশল অনেকটা গোবিন্দার মতো।’

একের পর এক ধারাবাহিক বা ছবিতে একনাগাড়ে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করতে ভালোলাগে? একটু হেঁসে মৌসুমী জানান, ‘হ্যাঁ ভালোই লাগে। তারপরেই তাঁর প্রশ্ন আমার কী হিরোইন হওয়ার বয়স আছে?’ তবে তিনি তা কখনও হতেও চান নি। সবসময় চরিত্রাভিনেত্রী হয়েই থাকতে চেয়েছেন। যাতে অভিনয় করা যায়। সেই তথাকথিত গ্ল্যামারাস দিকে যাওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে তাঁর ছিলোনা, যার জন্য থিয়েটার টাকেই বেস করে এগিয়েছি জানান মৌসুমী। একই সাথে বলেন, ‘এর জন্য অনেকেই আমার মুখ দেখে বলে মাতৃ প্রতিম। আসলে আমার চেহারায় একটা সফ্টনেস আছে যার জন্য বরাবর মায়ের চরিত্রই পেয়ে এসেছি। আজও ধারাবাহিক কিংবা ছবিতেই যাদের মা হয়েছি তাঁরা দেখলে দিদি বলেনা মা বলেই ডাকে।”

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories