Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

কাজল-রানি থেকে অভিজিৎ ভট্টাচার্য, কেমন হয় বলিউড তারকাদের বাড়ির পুজো?

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

কাজল-রানি মুখার্জীর বাড়ির পুজো : শারদোৎসবের আমেজ শুধুমাত্র বাংলায় নয়। বাংলা ছাড়িয়ে তা পৌঁছে যায় আরব সাগরের তীরে স্বপ্ননগরী মুম্বাইতে। আর সেখানকার দুর্গাপুজো আমিই সবার প্রথমে মাথায় আসে মুখার্জী বাড়ির পুজোর কথা। উত্তর মুম্বইয়ের শশধর মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির পুজোর নামডাক বরাবরই। যদিও এখন তা কাজল-রানীর বাড়ির পুজো হিসেবেই সর্বজন পরিচত। পুজোর চারটে দিন একেবারে জমজমাট আয়োজনে মেতে ওঠেন সক্কলে। তারকাদের জমায়াতে বসে চাঁদের হাট। গত কয়েকবছরে মুখার্জী বাড়ির এই পুজোয় উপস্থিত থাকতে দেখা গিয়েছিল, হৃত্তিক রোশন, রণবীর কাপুর, ভাগ্যশ্রী, আলিয়া ভট্ট, অয়ন মুখোপাধ্যায়, সুমনা চক্রবর্তীর মতো দেখা তারকাদের। একই সাথে পুজোয় ভিড় জমান মুম্বাইয়ের প্রবাসী বাঙালিরা।

আজ থেকে প্রায় ৭৬ বছরের পুরনো এই পুজো। দেশে স্বাধীনতার বছরেই শুরু হয়েছিল ‘নর্থ বম্বে সর্বজনীন’ এর এই দুর্গাপূজা। গত দুবছর করোনার কারণে চেনা ছন্দ হারিয়েছিল এই পুজো। তবে এবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই কোমর বেঁধে কাজ শুরু হয়ে করে দিয়েছেন বাড়ির সদস্যরা। কবে কোনদিন কীভাবে সাজবেন কাজল-রানি মুখার্জী তা অবশ্য প্রকাশ্যে অনেন নি তারকরা। তবে সাজপোশাকের মাঝেও বাড়ির পুজো ঘিরে বেজায় ব্যস্ত থাকেন দুই অভিনেত্রী। ষষ্ঠী থেকে দশমী চলে ভোগ বিতরণ। মণ্ডপে আগত সেসব দর্শনার্থীদের ভোগ বিতরণে কাজে হাত লাগাতে দেখা যায় অভিনেত্রীদের। সবমিলিয়ে এই চারদিন হাজারো ব্যস্ততা ভুলে একেবারে বাড়ির পুজো নিয়েই মেতে ওঠে কাজল ও রানি মুখার্জী।

সঙ্গীত শিল্পী অভিজিৎ ভট্টাচার্যর বাড়ির পুজো

অন্যদিকে বলিউডের দুর্গাপুজোর মধ্যে কাজল-রানীর বাড়ির পুজো ছাড়াও মুম্বাইয়ের লোখন্ডওয়ালায় বিখ্যাত জনপ্রিয় পুজো হল গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য-এর পুজো। দুর্গাপূজা এলেই তিনি আর তারকা নন, লাইমলাইট থেকে বেড়িয়ে তিনি তখন মায়ের একনিষ্ঠ ভক্ত। মায়ের বোধন থেকে বিদায় সমস্তটাই দায়িত্ব সহকারে পালন করে থাকেন সঙ্গীত শিল্পী। এবছর ২৭ এ পা দেবে তাঁর বাড়ির পুজো। সম্পূর্ণ সাবেকী ছাঁচেই তৈরি হয় দেবীর প্রতিমা। কলকাতার থিম পুজোর ছোঁয়া পৌঁছয়নি অভিজিতের পুজোয়। কলকতার অমিত পালের হাতেই গড়ে ওঠে তাঁর দুর্গা প্রতিমা। এছাড়াও শিল্পীর পুজোর খাওয়া দাওয়ায় রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট।

অভিজিতের কথায়, “পুজোর মূল আকর্ষণ হল খাওয়াদাওয়া। মুম্বইয়ের বাঙালিরাও সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন মিষ্টিকেই। সেই কারণেই কলকাতার এক নামী মিষ্টি বিপণি থেকে যায় নানা ধরনের সন্দেশ। রোজ বিমানে আসে মিষ্টি, সেই সঙ্গে আসে খিচুড়ি, বেগুনি, চাটনি, পায়েস, সমস্ত কিছুই কলকাতা থেকে আসে। পুজোর সময় ন’দিন ধরে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া চলে।নৈশভোজে মাছ-মাংসও থাকে।’’

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories