Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

আজ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস, কিন্তু কেন পালিত হয় এই দিন?

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

আজ, বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস। সাল ১৯৬৬-র ২৬ অক্টোবর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনের ১৪ তম অধিবেশনে সেপ্টেম্বরের ৮ তারিখকে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কেন পালিত হয় এই দিন?প্রতিটি মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে এবং তাঁদের জীবনধারাকে উন্নত করতে শিক্ষা ভীষণ জরুরী। আর এই দিনটি পালন করার মূল উদ্দেশ্য হল, সকলের জন্য স্বাক্ষরতা কতটা জরুরী বা সকলের উন্নতির জন্য স্বাক্ষরতা কতটা প্রয়োজন সেটা বোঝানো।

বিগত দু’বছর ধরে করোনা মহামারীর জেরে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, আজও ৭৭৩ মিলিয়ন মানুষ নিরক্ষর। তার মধ্যে করোনার জেরে বহু শিশুর ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে। তবুও বিভিন্ন উপায়ে সকলের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা জারি রয়েছে। বিশ্বজুড়ে স্বাক্ষরতা সংক্রান্ত সমস্যা দূর করার সঙ্গে আজকের এই দিনটি এটি বোঝাতে সাহায্য করে যে, শিক্ষা এবং স্বাক্ষর হওয়া কেন প্রয়োজন।

মূলত শিক্ষা মানুষকে আত্মনির্ভর করে তোলে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করে। কিন্তু ইউনেস্কোর রিপোর্ট অনুযায়ী, অঞ্চল ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম। বিশ্বের মধ্যে বুর্কিনা ফাসো, নাইজার ও মালি নামক দেশগুলিতে স্বাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম। ১৯৬৫ সালের ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স অব মিনিস্টার্স অব এডুকেশনে নিরক্ষরতা দূরীকরণ নিয়ে আলোচনার সময় প্রথম স্বাক্ষরতা দিবসের ভাবনাটি আসে।

ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে এই দিনটি প্রচার করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকার ও সমাজসেবী সংগঠন এই দিনটি পালন করার জন্য উদ্যোগ নিয়ে থাকে। তাই বিভিন্ন বছর নানা থিম নিয়ে এই বিষয়টির উপর সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। শিক্ষা ও স্বাক্ষরতার গুরুত্ব বোঝানো হয়। কারণ শিক্ষাই আমাদের জীবন এবং জীবনধারাকে পাল্টে দিতে পারে। এক কথায় সব সমস্যার সমাধান হল এই স্বাক্ষরতাই। সকলকে এই দিনটির মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, কীভাবে মানুষকে তার সামাজিক অধিকার এবং হিউম্যান রাইটস পেতে সাহায্য করে স্বাক্ষরতা। আর সেইসঙ্গে এর হার বৃদ্ধি মানে দারিদ্র্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, লিঙ্গ বৈষম্য দূর হওয়া।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories