Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Car Buying Guide: নতুন গাড়ি কেনার সময় কোন কোন সেফটি ফিচার্স মাথায় রাখা উচিত?

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

নতুন গাড়ি কেনার সময় অনেক জিনিস মাথায় রেখে চলতে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গাড়ির ফাইন্যান্স এবং মাইলেজ এই দুটি বিষয়ই পর্যালোচনা করে থাকেন গ্রাহকরা। যদিও মধ্যবিত্ত গ্রাহকদের কাছে এই দুটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এর ফলে বঞ্চিত থেকে যায় গাড়ির সেফটি ফিচার্স। পরিসংখ্যান বলছে, সড়ক দুর্ঘটনার নিরিখে সারা বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে ভারত। সুতরাং নতুন গাড়ি কেনার সময় সেফটি ফিচার্স এর দিকে খেয়াল রাখা যথেষ্ট জরুরি।

এই প্রতিবেদনে জানবেন এমন কিছু সেফটি ফিচার্স যা নতুন গাড়ি কেনার সময় যাচাই করে নেওয়া আবশ্যিক।

ডুয়াল ফ্রন্ট এয়ারব্যাগ

গাড়ির সামনের আসনে ড্রাইভার ও যাত্রী উভয়ের জন্যই যেন এয়ারব্যাগ উপলব্ধ থাকে। ভারতে BNVSAP নিয়ম অনুযায়ী যা বাধ্যতামূলক। অনেকাংশে দেখা গিয়েছে দুর্ঘটনা থেকে মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে এই এয়ারব্যাগ। বর্তমানে অনেক গাড়িতে ৬ টি এয়ারব্যাগও অফার করা হয়। তবে সেক্ষেত্রে গাড়ির বাজেট বেড়ে যেতে পারে।

ইবিডি সহ এবিএস

অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম বা ABS এই বৈশিষ্ট্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্রেকিংয়ের সময় গাড়ির চাকা লক করতে সাহায্য করে এই ফিচার, যাতে ড্রাইভারের কাছে গাড়ির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। এই সিস্টেমের সাথে থাকে ইলেকট্রনিক ব্রেক ফোর্স ডিস্ট্রিবিউশন। হঠাৎ করে ব্রেক কষলে অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম ও ইবিডি খুব কার্যকরী হয়ে ওঠে।

রিভার্স পার্কিং সেন্সর ও ক্যামেরা

ঘিঞ্জি এলাকায় গাড়ি পার্কিং করার সময় অনেক ঝক্কি পোহাতে হয় গাড়ি চালকদের। তার উপর পথচরী ও অন্য গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে যাওয়ার ভয় তো আছেই। এ জন্য গাড়িতে রিয়ার পার্কিং সেন্সর ও রিয়ার পার্কিং ক্যামেরা রয়েছে কিনা তা যাচাই করে নেওয়া উচিত। দুর্ঘটনার পাশাপাশি গাড়ি সঠিক লেনে পার্ক করতেও এটি সাহায্য করে।

সিটবেল্ট প্রি-টেনশানার

বর্তমানে বহু যাত্রীবাহী গাড়িতে এই বৈশিষ্ট্য থাকে। সিটবেল্ট প্রি-টেনশানারের সুবিধা হল গাড়ি হঠাৎ ব্রেক কষলে এটি যাত্রীকে সামনের দিকে ঠেলে দেয়না যার ফলে দুর্ঘটনার ঘটতে পারে বরং যাত্রীকে তার আসনের মধ্যেই বিরাজমান রাখে।

স্পিড সেন্সসিং ডোর লক

গাড়ি উচ্চ গতিতে ছুটলে এই বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে গাড়ির দরজা স্বয়ংক্রিয় ভাবেই বন্ধ হয়ে গেছে। এই বৈশিষ্ট্যটি তখন খুব কাজে দেয় যখন কেউ তড়িঘড়িতে গাড়ির দরজা ভালো করে লক করতে ভুলে যায়।

সাইড এয়ারব্যাগ

সামনে দিয়ে না হলেও সাইড দিয়ে যদি গাড়ির সংঘর্ষ হয় তখন সাইড এয়ারব্যাগ আপনাকে সেই দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। এই এয়ারব্যাগ সাধারণত গাড়ির দু পাশে লাগানো থাকে। নতুন গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে এই বৈশিষ্ট্যটি যাচাই করে নেওয়া আবশ্যিক।

টায়ার প্রেসার মনিটরিং সেন্সর

এই বৈশিষ্ট্য অনেকেই উপেক্ষা করে যান। টায়ার প্রেসার মনিটরিং সেন্সর হল টায়ারের চাপ-সংবেদনশীল সেন্সর। এটি একটি ডিফ্লেটিং/পাংচার টায়ার দ্বারা তৈরি হওয়া দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

অ্যাডভান্স ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্ট সিস্টেম

এটি হল একটি আধুনিক সেফটি ফিচার্স। এই সিস্টেমের আওতায় ব্লাইন্ড স্পট ডিটেকশন, ট্রাফিক সিগন্যাল ডিটেকশন, লেন ডিপার্চার ও কারেকশন, অ্যাডাপ্টিভ ক্রুজ কন্ট্রোল এবং অটোমেটিক ইমার্জেন্সি ব্রেকিংয়ের সুবিধা পাওয়া যায়। যেহেতু একাধিক প্রযুক্তির ব্যবহার হয় এখানে তাই এই ফিচারটি একটু ব্যায়বহুল। মিড রেঞ্জ বা এন্ট্রি-লেভেল গাড়িতে এই বৈশিষ্ট্য সাধারণত পাওয়া যায়না।

এ ছাড়া গাড়িতে বাচ্চা থাকলে ISOFIX চাইল্ড সিট অ্যাঙ্কর বৈশিষ্ট্যটি আছে কিনা জেনে নেওয়া উচিত। উপরোক্ত সেফটি ফিচার্স গুলি ছাড়াও স্পিড ওয়ার্নিং, কর্নারিং স্ট্যাবিলিটি কন্ট্রোল, ইমপ্যাক্ট সেন্সসিং ডোর আনলক ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য যাচাই করে নিতে পারেন।

Categories