Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘আমি মোদীজির দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করি’, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বক্তব্য হাসিনার

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

গতকাল ভারত সফরে এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করলেন তিনি। হায়দরাবাদ হাউসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক চলে। বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি দেন দুই দেশের রাষ্ট্রনেতা। যেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, আইকনিক হায়দরাবাদ হাউসে আসতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। গতকাল ঐতিহাসিক শহর নয়া দিল্লিতে পৌঁছেছেন। প্রায় তিন বছর পর তিনি ভারতে আসতে পেরেছেন। সকলের মাঝে থাকতে পেরে তিনি আনন্দিত। উষ্ণ আতিথিয়তা দেবার জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আজাদী কা অমৃত মহোৎসবের সফল সমাপ্তির জন্য অভিনন্দন জানালেন তিনি। শেখ হাসিনা জানান, “আগামী ২৫ বছরের জন্য অমৃত কালের নতুন ভোরে আমি আমাদের শুভকামনা জানাই।”এরপরই তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তিনি ফলপ্রসূ আলোচনা শেষ করেছেন। যার ফলাফল উভয় দেশের জনগণের জন্য উপকার বয়ে আনবে। তাঁর কথায়, “আমরা ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে বৈঠকটি করেছি। সামনের দিনগুলিতে আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে আমরা দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলির বিস্তৃত পরিসরে আলোচনা করেছি।”

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে তিনি জানান, “১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার ও জনগণ যে অমূল্য সমর্থন দিয়েছিল তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ, যা ছিল আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি বিশেষ মুহূর্ত। সেই থেকে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক যৌথ ইতিহাস ও সংস্কৃতি, পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধা, দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও অব্যাহত সহযোগিতা। আমি মোদীজির দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করি যা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতি প্রদান করে চলেছে।”

দুই প্রতিবেশী ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা আরও জানান, “ভারত বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং নিকটতম প্রতিবেশী। বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রতিবেশী কূটনীতির রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। গত এক দশকে উভয় দেশই বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। দুই দেশ বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার চেতনায় অনেক অসামান্য সমস্যার সমাধান করেছে। আমরা আশা করি তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি সহ সকল সমস্যার সমাধান হবে।”তিনি আরো জানান, “আমি এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীজি আমাদের দুই দেশের ও অঞ্চলের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বের চেতনায় একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছি। ৫৪টি অভিন্ন নদী ও চার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত বেষ্টিত বাংলাদেশ ও ভারত দুই জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত কল্যাণে বদ্ধপরিকর।”

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories