Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

স্কুলে কোনো পরীক্ষা নেই, খেলার ছলে হয় পড়াশোনা! কোথায় জানেন?

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

‘পরীক্ষা’ শব্দটা শুনলেই অনেকের মনে রাগ হয়। আবার অনেকে পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে জীবনে সফলতার শীর্ষে পৌঁছান। যদি পরীক্ষা না থাকতো তাহলে কেমন হত? কারণ পরীক্ষা এমন একটা জিনিস যা দিয়ে মানুষকে যাচাই করা হয়। পাশাপাশি ব্যক্তিত্ব, ক্ষমতা, গুণাবলী সবই এই পরীক্ষার মাপকাঠিতে বিচার করা হয়ে থাকে। বিশ্বে এমন একটি দেশ আছে যেখানে পরীক্ষা দিতে হয় না। এখানে পরীক্ষা সংক্রান্ত ধারণার সঙ্গে বাচ্চারা সেভাবে পরিচিত নয়। এমনকি স্কুলে গিয়ে নির্দিষ্ট সময় মেনে চার দেওয়ালের মধ্যে পড়াশোনা করতে হয় না।

খেলার ছলে পড়ুয়ারা শিক্ষা লাভ করেন। প্রথম দেখাতে মনে হবে শিক্ষার্থীরা গল্প-গুজব করতে ব্যস্ত, ভালো করে খেয়াল করে দেখবেন তারা কম্পিউটার সাইন্স ক্লাস করছেন। পড়াশোনার এমন রীতি ফিনল্যান্ডে ।ফিনল্যান্ডে পরিবেশ সচেতনতার উপর খেলার মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হয়। এই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বাস্তব এবং বিজ্ঞানসম্মত দিকে বিশেষ ভাবে নজর দেওয়া হয়। পাশাপাশি গুরুত্ব পায় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এই দেশ বিশ্ব সেরা হওয়ার দৌড়ে গ্রহণ করেছে গেমিং এডুকেশন কিংবা খেলার মাধ্যমে শিক্ষা পদ্ধতি।

এই দেশে বাচ্চাদের জন্য নেই কোন পরীক্ষা, নেই কোন পাঠ্য পুস্তকের ঝামেলা। স্কুলে শিক্ষার্থীদের দিন শুরু হয় অনেকটা খেলাধুলা কিংবা দর্শনীয় জায়গা দেখে। তারপর হয় হাতে কলমে পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রম ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক নানান আলোচনা হয়। যেখানে গুরুত্ব পায় শিশুদের মানসিক এবং শারীরিক বিকাশ। ভাবলে অবাক হবেন, এই সবের মাঝেই আবার পড়ুয়াদের জন্য পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেখানে আড়াই থেকে তিন বছর শিশুদের স্কুলে পাঠানো হয়, সেখানে ফিনল্যান্ডের শিশুদের প্রথম প্রথাগত শিক্ষা শুরু করে ৭ বছর বয়স থেকে। তাও আবার খেলাধুলার মাধ্যমে। নবম শ্রেণীতে ওঠার পর তারা পছন্দ মত বিষয় বেছে নিতে পারে। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে প্রস্তুত হতে হয় উচ্চ শিক্ষার জন্য।স্কুল বেশিরভাগ স্কুল শুরু হয় সকাল আটটায় এবং শেষ হয় চারটের সময়। যদিও নির্দিষ্ট কোন নিয়ম নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দুপুর দুটোর মধ্যে শ্রেণীর পাঠদান সমাপ্ত হয়। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বয়সন্ধিকালে সকালের ঘুম মানসিক বিকাশের জন্য বেশ প্রয়োজন।

তাই এখানে স্কুলগুলি সকাল নটায় শুরু হয় এবং দুপুরের মধ্যে শেষ হয়। তার মাঝে আবার কয়েক ঘন্টার জন্য বিরতি থাকে। প্রত্যেকটি ক্লাসের মাঝে থাকে ১৫ মিনিটের বিরতি। এছাড়াও দুপুরে খাওয়ার জন্য সময় দেওয়া হয় ৪৫ মিনিট। এখানে শিক্ষার জন্য পড়ুয়াদের খাদ্যমান বজায় রাখতে এবং খিদে মুক্ত শিক্ষা প্রদান গুরুত্বপূর্ণ। ফিনল্যান্ডে খিচুড়ির মতো বিষয় নির্বাচন করা হয় না। উপরন্ত নির্দিষ্ট কোন একটি বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়, যাতে একজন শিক্ষার্থী সঠিকভাবে তার জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারেন।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories