Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

ষড়যন্ত্রের শিকার জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ! ED-র বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের দাবি অভিনেত্রীর আইনজীবীর

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

চক্রান্তের শিকার সিংহল সুন্দরী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ! সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি জানাচ্ছেন অভিনেত্রীর আইনজীবি প্রশান্ত পাতিল। তাঁর দাবি, ED র চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে জ্যাকলিনের নাম থাকা ভিত্তিহীন। তিনি বরাবরই তদন্তে সহযোগিতা করে গিয়েছেন। একই সাথে তাঁর কথায়, “আমার ক্লায়েন্টের নাম যে Enforcement Directorate এর চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছে, তা আমরা সংবাদমাধ্যমের মারফত জানতে পেরেছি। ED বা আদালতের তরফ থেকে অফিসিয়ালি আমাকে কিছু জানা যায়নি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফ থেকে অভিযোগপত্রের কোনও প্রতিলিপিও পাঠানো হয়নি।

তবে যদি সংবাদমাধ্যমের দাবি সঠিক হয়, তাহলে বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক। কারণ, ওই চার্জশিটে আমার ক্লায়েন্টকে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।”তবে সত্যিই যদি অভিনেত্রীকে অভিযুক্ত বলে দাবি করা হয়, তাহলে জ্যাকলিনও আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বলেই জাননা প্রশান্ত পাতিল। একই সাথে তাঁর কথায়, জ্যাকলিনের কাছে যা তথ্য রয়েছে তার সবটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ED-কে। ওঁকেও ঠকানো হয়েছে। সেই বিষয়টিকে গৌণ করে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিনেত্রী বড় ষড়যন্ত্রের শিকার।অন্যদিকে চলতি সপ্তাহের বুধবার ২১৫ কোটির আর্থিক তছরূপের মামলায় ইডি (Enforcement Directorate)র চার্জশিটে অভিযুক্ত তালিকায় নাম উঠেছে জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের।

আরো পড়ুন : অপেক্ষার অবসান, জন্মাষ্টমীর শুভ তিথিতে মিলেমিশে যাবে দুই ধর্ম! আজ শুভমুক্তি ‘বিসমিল্লা’র

ইতিমধ্যে দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দাখিল করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।সেই অতিরিক্ত চার্জশিটে ইডি স্পষ্ট জানিয়েছে জেলবন্দি জালিয়াত সুকেশ চন্দ্রশেখরের থেকে লাভবান হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের তোলাবাজির প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে সুকেশের কাছ থেকে নিয়েছেন গুচ্চির ব্যাগ, জিমের পোশাক, দামী ব্যান্ডের জুতো, দুটি হীরের আংটি, এছাড়াও একাধিক ব্রেসলেট। যার আনুমানিক মূল্য ৭ কোটি টাকা। ইডি অফিসাররা মনে করছেন ঠগবাজ সুকেশের কাণ্ড কারখানা সম্পর্কে জানতেন জ্যাকলিন।

তাঁর এই কাজের লাভও পেতেন। অনেকে মনে করছেন, এই জন্যই নায়িকার বিরুদ্ধে ২১৫ কোটি টাকার তোলাবাজির অভিযোগ আনা হয়েছে।এর আগেও চলতি বছর জুন মাসে শেষবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজকে। অভিনেত্রীর সাত কোটি ২৭ লাখের সম্পত্তি এবং ১৫ লাখ নগদ টাকা আর্থিক তছরুপের মাধ্যমে লব্ধ বলে চিহ্নিত করেছিল ED। তবে অভিনেত্রী এবং তাঁর আইনজীবির দাবি ছিল এই যে, ৭ কোটি টাকার সম্পত্তির মধ্যে ৭ পয়সাও সুকেশের নয়। সবটাই এসেছে অভিনেত্রীর কঠোর পরিশ্রম থেকে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories