Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Malda : শিক্ষকের অভাবে সরকারি স্কুল বন্ধ হবার মুখে, বিনা পারিশ্রমিকেই পড়াচ্ছেন এক যুবক

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

রয়েছে স্কুল ভবন , পর্যাপ্ত পরিমাণে চেয়ার টেবিলের ব্যবস্থাও রয়েছে ক্লাস রুমে কিন্তু যা নেই তা হল শিক্ষক শিক্ষিকা। সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত এই জুনিয়র গার্লস স্কুলটিতে শিক্ষক শিক্ষিকা না থাকায় পড়াশোনা রীতিমত মাথায় উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রীদেরকে নিজের দায়িত্বে পরিয়ে আসছেন গ্রামেরই এক যুবক যিনি প্রথমে স্কুলের একজন অস্থায়ী শিক্ষা কর্মী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। এখন তিনি বিনা পারিশ্রমিকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রীদেরকে পড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছেন । কিন্তু তারপরেও অভাব মিটছে না। এমনটাই ছবি ফুটে উঠেছে মালদার মানিকচক ব্লকের হাড্ডাটোলা গ্রামের সরকারি উদ্যোগে গড়ে ওঠা একটি জুনিয়র গার্লস স্কুলে।

আরো পড়ুন : বড় খবর : দিনের শেষে আদালতের নির্দেশ, ১০ দিনের সিবিআই হেফাজত ‘অসুস্থ’ অনুব্রতর

এই স্কুলটি তৈরি হয়েছিল ২০১২ সালে । রাজ্যের শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে অনুমোদিত হয়েছিল এই স্কুলটি। প্রথমে শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে এখানে দুজন অতিথি শিক্ষিকাকে নিয়োগ করা হয়েছিল । তাঁরাই প্রথম পঠন-পাঠন শুরু করান। পরবর্তীতে আরও চারজন শিক্ষক-শিক্ষিকা আসেন এখানে। তারপর একে একে সকলে বদলি হয়ে চলে যান। ২০১৯ সাল পর্যন্ত একজন শিক্ষক ছিলেন কিন্তু তিনিও পরবর্তীতে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় পুরোপুরি খালি হয়ে পড়েছে এই স্কুলটি। পড়ুয়া রয়েছে কিন্তু পড়ানোর জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই। প্রতিদিন ছাত্রীরা এসে ঘন্টার পর ঘন্টা ক্লাসে অপেক্ষা করছেন আর তা দেখে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রীদেরকে নিয়মিত পড়াতে চলে আসেন গ্রামের ওই অস্থায়ী শিক্ষা কর্মী হিসেবে নিযুক্ত যুবক।

এই কাজের জন্যে তাকে সরকারের তরফ থেকে কোনরকম পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না বলেই জানা গিয়েছে। স্কুলের এইরকম পরিস্থিতির কথা স্থানীয় স্কুল পরিদর্শককে জানানো হয়েছে । তিনি জেলা শিক্ষা দফতরে বিষয়টি নিয়ে বহুবার অভিযোগ জানিয়েছেন বলে খবর । কিন্তু তারপরেও কোনো রকম কাজ হয়নি। সরকার অনুমোদিত একটি গার্লস স্কুলের এইরকম পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কারণে এলাকার অভিভাবকরা বেজায় ক্ষুব্ধ । প্রতিদিনই স্কুলে সময় মতো এসে উপস্থিত হচ্ছেন ছাত্রীরা কিন্তু পড়াশোনা হচ্ছে না। যেটুকু ওই যুবক নিজের তাগিদে করাচ্ছেন সেইটুকুই এই মুহূর্তে পাচ্ছেন তাঁরা। অন্যদিকে এই শিক্ষক- শিক্ষিকা না থাকার কারণে মিড ডে মিল ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর আগে পড়ুয়া না আসার কারণে স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে কিন্তু বর্তমানে শিক্ষক-শিক্ষিকা না থাকায় বন্ধ হবার মুখে এই সরকার অনুমোদিত স্কুলটি।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories