Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

করোনার পর নয়া আতঙ্ক ল্যাংয়া ভাইরাসে! এই বন্য প্রাণী থেকেই ছড়াচ্ছে রোগ

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

প্রায় দু-বছর হয়ে গিয়েছে, এখনো পর্যন্ত সারা বিশ্ববাসীকে জ্বালিয়ে মারছে করোনা। আর এই করোনা ভাইরাসের নাম বলতেই মনে পড়ে চীনের কথা। কারণ চীন থেকেই প্রথম এই ভাইরাসের সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। এবার সেই চীনেই নতুন আতঙ্ক। শানডং এবং হেনান প্রদেশে প্রায় ৩৫ জন সংক্রমিত হয়েছেন ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাসে। এই ভাইরাস কি ? কিভাবে এটি রোগ ছড়ায়? কোন প্রাণীর দেহ থেকে এই ভাইরাস মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়ছে? এই সমস্ত প্রশ্ন উঁকি মারছে সারা বিশ্ববাসীর মনে। এই ভাইরাস হেন্দ্রা এবং নিপা ভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত। এই ভাইরাসটি নিয়ে গবেষকরা জোড় কদমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন।

সম্প্রতি চীনের গবেষকরা জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং সম্প্রতি প্রাণীদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের উপর নজরদারি রেখে এই নতুন ভাইরাসটি সনাক্ত করতে পেরেছেন। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে জ্বর, ক্লান্তি, কাশি, ক্ষিদে না পাওয়া, হাড়ের ব্যথা, বমি, মাথা ব্যথা প্রভৃতি লক্ষণ গুলি দেখা গিয়েছে। তবে ওই রোগীরা ঠিক কতদিন ধরে এই লক্ষণ বয়ে নিয়ে চলেছেন তা এখনো জানা যায়নি। আবার অনেকের মধ্যে এর কারণে দেখা দিয়েছে নিউমোনিয়া এবং লিভার ও কিডনি সংক্রান্ত জটিল সমস্যা।

কোথা থেকে এল এই ভাইরাস?

এই ভাইরাসের উৎস কোনো বন্য প্রাণী নাকি গৃহপালিত পশু? তা নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে। তবে জানা গিয়েছে, এই ভাইরাসে অল্প কিছু সংখ্যক ছাগল এবং কুকুর আক্রান্ত হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষ প্রমাণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে শ্রু নামক একটি বন্য প্রাণীকে। এটি একটি স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদের সাথে ইঁদুরের শারীরিক গঠনের সঙ্গে মিল রয়েছে। এই ভাইরাস খুঁজতে পরীক্ষা করা হয়েছিল প্রায় ২৫টি বন্য প্রাণীর প্রজাতির উপর। এই ভাইরাসের সংক্রমণের ২৭ শতাংশ পাওয়া গিয়েছে শ্রু এর মধ্যে।

তাইওয়াননের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের তথ্য অনুযায়ী, চীনের ওই ৩৫ জন ব্যক্তির মধ্যে ২৬ জনের মধ্যেই প্লেটলেট সংখ্যা খুব দ্রুত হ্রাস পেয়েছে, কমে গিয়েছে শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ। পাশাপাশি লিভার এবং কিডনি ফেলিওরের মত লক্ষণও দেখা গিয়েছে। আসলে এই হেনিপাভাইরাস হল জুনোটিক আরএনএ ভাইরাসের একটি শ্রেণি, যার মধ্যে রয়েছে নিপা এবং হেন্দ্রা ভাইরাস। এই হেন্দ্রা ভাইরাস আবার ঘোড়া এবং মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে। এটি ১৯৯৪ সালে কুইন্সল্যান্ডে সনাক্ত করা হয়েছিল।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories