Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

দারুণ খবর, এক ধাক্কায় অনেকটা কমবে ভোজ্যতেলের দাম! স্বস্তিতে আমজনতা

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

সাধারণ মানুষের হেঁসেলে আবার খুশির খবর। এক ধাক্কায় কমতে চলেছে ভোজ্য তেলের দাম। এমনি থেকেই নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যে ভাবে বাড়ছে তাতে অনেকেই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। দিনের পর দিন বাজারের প্রত্যেকটা জিনিস যেন একে অপরের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। তবে এবার ভোজ্য তেলের দাম কমতে চলেছে লিটার প্রতি প্রায় ১০ থেকে ২০ টাকা।

তেলের দাম কমার বিষয়ে সরকারি তরফ থেকে কোম্পানিগুলিকে এই বিষয়ে বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার তেল কোম্পানিগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন খাদ্য সচিব। সেখানে প্রতি লিটারে অন্তত ১০ টাকা করে দাম কমানোর কথা বলা হয়। এর ফলে বহু মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন। তবে সম্প্রতি আগের থেকে তেলের দাম কিছুটা হলেও কমেছে। লিটার প্রতি বেশ কয়েক মাসের মধ্যে দাম কমেছে প্রায় ৩০ টাকা। সামনেই আছে পুজোর মরশুম। একের পর এক উৎসব লেগেই থাকবে। সেক্ষেত্রে যদি সরকার ভোজ্য তেলের দাম কমাতে সফল হয়, তাহলে এই উৎসবের মরশুমে সুফল পাবেন বহু মানুষ।

ভোক্তা মন্ত্রকের মতে, চিনাবাদাম তেলের দাম বর্তমানে বাজারে প্রতি লিটার পাওয়া যাচ্ছে ১৮৭.৫৫ টাকা। অথচ এক মাস আগেও এর দাম ছিল ১৮৭.৮৮ টাকা প্রতি লিটার। এখনো পর্যন্ত ১৫০ টাকার উপরেই রয়েছে সরিষা তেলের দাম। বর্তমানে প্রতি লিটার পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১৭৩ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল প্রায় ১৭৮ টাকা। এছাড়াও উদ্ভিজ্জ তেলের দাম এক মাস আগে ছিল ১৬৩ টাকা। এখন সেই দাম কিছুটা কমে হয়েছে ১৫৫ টাকা। এই এক মাসের মধ্যেই সয়াবিন তেলের দাম কমেছে গড়ে ১০ টাকা করে। প্রায় ১৬৫ টাকা থেকে এই তেল লিটার প্রতি হয়েছে ১৫৭ টাকা। সূর্যমুখী তেলের দাম গত মাসে ছিল ১৮৬ টাকা, বর্তমানে তার লিটার প্রতি নেমে এসেছে ১৭১ টাকায়।

বৈদেশিক বাজারেও তেলের দাম এখন অনেকটা কম। তাই এমন পরিস্থিতিতে ভারতে বারংবার তেলের দাম কমানোর দাবি উঠেছে। ওই বৈঠকে তেল প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি বিশ্বব্যাপী দাম কমানোর পরিপ্রেক্ষিতে ভোজ্য তেলের দাম ১০ থেকে ১২ টাকা কমাতে সম্মত হয়েছে। এক্ষেত্রে যদি তেল কোম্পানিগুলি দাম কমায় তাহলে মন্ত্রকের তরফ থেকেও বকেয়ার হার কমানো যেতে পারে।

আসলে ভারতের ভোজ্য তেলের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ আমদানি করা হয় বাইরে থেকে। কিন্তু মাঝে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষ আর রপ্তানিতে নানান নিষেধাজ্ঞার কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল। ইন্দোনেশিয়া হল একটি বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ। কিন্তু গত দুই মাসে ইন্দোনেশিয়া রপ্তানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেশ অনেকটা কমেছে। দাম এবং প্রাপ্যতা পর্যালোচনা করতে কেন্দ্র সরকার মে মাস থেকে তেল কোম্পানিগুলির সাথে প্রায় তিনটি বৈঠক করে। জুলাই মাসের ৬ তারিখে এরূপ একটি বৈঠক করা হয়, সেখানেও ভোজ্য তেল সংস্থাগুলিকে খুচরো দাম কমাতে বলা হয়েছিল।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories