Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Dilip Ghosh: ‘মান-মর্যাদা থাকলে চড়বে না মেট্রোতে’, একি বলে বসলেন দিলীপ ঘোষ!

1 min read

। প্রথম কলকাতা।।

রাজ্যের শাসক দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে সংঘাত নতুন কোন বিষয় তো নয় কিন্তু একাধিক নতুন বিষয়কে নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কটাক্ষ এবং চ্যালেঞ্জের জ্বালায় বর্তমানে জর্জরিত তৃণমূল-বিজেপি। আগামীকাল বহু প্রতীক্ষিত শিয়ালদা মেট্রো অবশেষে উদ্বোধন হতে চলেছে। উদ্বোধন হবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির হাতে । আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। তৃণমূলের ক্ষোভ, মুখ্যমন্ত্রী যখন বাইরে সফরে যাচ্ছেন ঠিক সেই সময়েই এই উদ্বোধন করা হচ্ছে পরিকল্পনা করে। এই প্রসঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই পাল্টা জবাব এসেছে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের কাছ থেকে।

তিনি বলেন, “কেন্দ্র সরকার টাকা দিচ্ছে, বানিয়ে দিচ্ছে তাঁরাই তো উদ্বোধন করবে । উনার তো কেন্দ্রের টাকা দরকার। ওটা নিয়ে নিক বাকি তো কোন সৌজন্যবোধ নেই”। মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে ক্ষুব্ধ তৃণমূল কিন্তু দিলীপের দাবি, রাজ্যে এত প্রশাসনিক বৈঠক হয় কোনদিন বিরোধী দল হিসেবে তাদের চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ করা হয়নি। তাঁরাও নির্বাচিত প্রতিনিধি , তাদের প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্যের উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং মতামত জানানোর প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। সেই জায়গায় তৃণমূলের তরফ থেকে কখনও তাদের জন্য ডাক আসেনি। প্রশাসনিক বৈঠককে তৃণমূল দলীয় বৈঠক বানিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তা একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত কেন্দ্র সরকারের । তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেন কখনই কেন্দ্রের কোন অনুষ্ঠানে না ডাকা হয়।

অন্যদিকে, এই মেট্রো ইস্যু নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করে বসলেন দিলীপ ঘোষ। বিষয়টি হল এই শিয়ালদা মেট্রো নিয়েই তৃণমূলের তরফ থেকে বলা হয়েছিল যে বিজেপি মানুষের জন্য নয় নিজেদের জন্য এবং দলের জন্য কাজ করে । আর এই শিয়ালদা মেট্রো তৈরি করার প্রস্তাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিয়েছিলেন । এই প্রসঙ্গে দিলীপের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী প্রস্তাব অনেক কিছুরই করেন। রেলমন্ত্রী থাকাকালীন নিজের নাম দেওয়ার জন্য হাজার হাজার পাথর লাগিয়েছিলেন কিন্তু কিছুই করতে পারেননি। এখন বিজেপি করছে মানুষের জন্য। তবে তৃণমূলের যদি মনে হয় যে বিজেপি শুধুমাত্র নিজেদের জন্য এবং দলের জন্য করে থাকে তাহলে এই মেট্রোতে তৃণমূলের লোকেরা যেন না চড়ে । দিলীপের কথায়, ” যদি তোমাদের মান-মর্যাদা থাকে তাহলে কেন্দ্রের জিনিস নেবে না, চড়বে না ওখানে। তাহলেই বলব বাপের ব্যাটা”।

আরও একটি বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে আজ মুখ খুলতে শোনা যায়। রাজ্যে একের পর এক জায়গা থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র। গতকাল উত্তর চব্বিশ পরগনার গোপালনগরের একটি কলেজ থেকেও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে । এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ পুরনো কিছু ভাঙ্গা অস্ত্র বের করে দেখিয়ে দিয়েছে যে সেগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু আসল অস্ত্র যেখানে তৈরি করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এমনকি তাঁর দাবি , বিহার মুঙ্গের থেকে বহু অস্ত্র তৈরিতে দক্ষ কারিগররা এসে আস্তানা বেঁধেছে পশ্চিমবঙ্গে। এখানে নির্বিঘ্নে তাঁরা তাদের কাজ করে যাচ্ছে। কারণ পুলিশ এখানে বাধা দেয় না, সরকারও কোনো সমস্যা তৈরি করে না। তাই এখানেই অস্ত্র তৈরি হচ্ছে, ব্যবহারও হচ্ছে। এমনকি বিহার ,উত্তর প্রদেশ, বাংলাদেশেও অস্ত্র যাচ্ছে এখান থেকে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories