Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

“বাবা”তরুণ মজুমদারের ইচ্ছাতেই পরোলৌকিক কাজ সারলেন দেবশ্রী, জানালেন শ্রদ্ধার্ঘ্য

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

দেখেতে দেখতে ৩ দিন পার। গত ৫ জুলাই পরলোক গমন করেছেন ‘দাদার কীর্তি’র স্রষ্টা তথা বিশিষ্ট পরিচালক তরুণ মজুমদার। তাঁর প্রয়ানে সমগ্র টলিউডে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দ্বিতীয় বাবার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়। আর বাবার আত্মার শান্তি কামনায় রাখলেন আজ হিন্দু রীতি মেনে তিনদিনে কাজ সারলেন মেয়ে। করলেন বিশেষ পুজো-অর্চনার আয়োজন।

তবে সবটাই হয়েছে পরিচালকের ইচ্ছামতোই। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে অপ্রসঙ্গে অভিনেত্রী জাননা, ‘বাবা তথা তরুণ মজুমদারের ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়েই তাঁর ছোট মেয়ে হিসেবে আমি তাঁর পরলৌকিক কাজটা করলাম। উনি চিরকালই চাইতেন ওঁনার কিছু হলে আমরা যেন ওঁনার কাজ করি। ওঁনার সেই ইচ্ছাপূরণ করতে পেরে ভীষণ শান্তি পাচ্ছি আমি।’

প্রসঙ্গত, তরুণ মজুমদারের হাত ধরেই চলচ্চিত্রে পা রেখেছিলেন দেবশ্রী। ওঁনার হাতে গড়ে ওঠা তাঁর অভিনয় জীবন। একই সাথে শিল্পীর প্রয়ানে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, ‘আজ আমার বাবা চলে গেল। কতো শিল্পীকে গড়েছেন উনি। তাঁর মধ্যে একজন আমি দেবশ্রী রায়। উনি একটু একটু করে একজন শিল্পীকে নিজের হাতে তৈরি করেন।’ প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে তরুণ মজুমদার পরিচালিত ছবি ‘কুহেলি’ ছবিতে রানুর চরিত্রে অভিনয় দিয়েই সমগ্র বাংলা চিনেছিল অভিনেত্রীকে।

একই সাথে তরুণ মজুমদারের মৃত্যুর দিনে কাঁপা কণ্ঠে দেবশ্রী রায় বলেন, ‘তরুণদা নেই। আমি কী করব? কে আমাকে পথ দেখাবে? তরুণদা-সন্ধ্যাদি আমার মা-বাবার মতো ছিলেন। উনি নিজের সন্তান বলে আমাকে মনে করতেন। বলতেন, আমার তো সন্তান নেই। তুই আমার মেয়ে। সারাটা জীবন ঠিক বাবার মতোই ভালবেসে গিয়েছেন আমাকে। তখন আমি কত ছোট, সেই কুহেলি ওনার পরিচালনায় আমার প্রথম কাজ। ইন্ডাস্ট্রির অক্ষরজ্ঞান আমার তরুণদার হাত ধরেই। আর সেই মানুষটাই আমাকে আজ একা করে দিয়ে চলে গেলেন। মেয়েকে একা করে দিলেন। আজ মেয়ে হিসেবে নিজের কর্তব্য করব। সন্ধ্যাদির পাশে থাকব।’

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories