Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Purba Medinipur: TMC-তে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের,ব্লক সভাপতিকে পুলিশে অভিযোগের হুমকি বিধায়কের

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে বর্তমানে হাজারো প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ঘাসফুল শিবিরকে। যার কারণে অস্বস্তি বাড়ছে শাসক শিবিরের। কিন্তু তারপরেও জেলা স্তরের তৃণমূল নেতা কর্মীদের মধ্যে কোনো না কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব বারবার প্রকাশ্যে আসছে। আর এবার সোজা ব্লক সভাপতি এর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানোর হুমকি বিধায়কের । যা প্রকাশ্যে আসার পরেই রীতিমত সমালোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমারের। আর শাসকদলের এই গোষ্ঠীদ্বন্দকে নিশানা বানিয়ে ফের কটাক্ষ স্থানীয় বিজেপির।

ঘটনাটি সূত্রপাত হল , পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার বিধানসভার খঞ্চি অডিটোরিয়াম হলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল । মূলত এই সভাটি একুশে জুলাই এর প্রস্তুতি সভা ছিল বলেই খবর । আর সেই সভার আয়োজক ছিলেন নন্দকুমার ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দীননাথ দাস। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ, পটাশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক উত্তম বারিক, তমলুক জেলা সংগঠনের চেয়ারম্যান সৌমেন মহাপাত্র সহ আরও দলীয় পদাধিকারী ব্যক্তিত্বরা । কিন্তু সেখানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি বিধায়ক সুকুমার দে কে । আর এই নিয়েই শুরু হয় জল ঘোলা।

জানা যায়, এই সভাটিকে সম্পূর্ণ অবৈধ বলে দাবি করেন বিধায়ক সুকুমার দে । এছাড়াও তিনি সব রকম ভাবে চেষ্টা করেন যাতে তৃণমূলের কোনো কর্মী সমর্থক সেই সভায় গিয়ে উপস্থিত না হতে পারেন। এই মর্মে তিনি একটি মেসেজ দলীয় কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন, যেই মেসেজে স্পষ্ট লেখা ছিল যে, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মাননীয় দীননাথ দাসের নেতৃত্বে অনুমোদনহীন একটি অবৈধ উপদল গঠনের মাধ্যমে দলের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এমনকি নন্দকুমারের বিধায়ক ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি কোন মতেই সভায় উপস্থিত থাকবেন না। এমনকি সভার ব্যানার থেকে তাঁর নাম পর্যন্ত সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। হুমকি দেওয়া হয় যে ব্যানার থেকে তাঁর নাম না সরালে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাবেন তিনি। আর এর পরেই দীননাথ দাস নতুন করে এই সভার ব্যানার তৈরি করেন। যেখানে নাম ছিল না বিধায়কের । এই প্রসঙ্গে দীননাথ দাস জানান, কী কারনে বিধায়ক উপস্থিত হতে চাননি সে বিষয়ে যদিও তাঁর কাছে স্পষ্ট নয় কিন্তু বারবার তাকে আমন্ত্রণ জানানোর পরেও সভায় উপস্থিত থাকতে চাননি তিনি । উপরন্তু হুমকি দেওয়া হয় তাকে।

অন্যদিকে ,তৃণমূলের এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে তমলুক সংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন কুমার ব্যানার্জি বলেন, দলের মধ্যে এই ধরনের কোন্দলের ফলে খুব তাড়াতাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস । তার কারণ তমলুক সংগঠনিক জেলার ব্লক তৃণমূল সভাপতি এবং বিধায়ক দুজনেই দু-দিকে, দুজনের পৃথক দল রয়েছে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তো রয়েইছে। যা নিয়ে প্রকাশ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি শুরু হয়ে গিয়েছে। যার কারণে ভবিষ্যতে তৃণমূল দলটি বাংলায় থাকবে কিনা সে বিষয়ে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা গিয়েছে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories