Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Dilip Ghosh: পুলিশের দম নেই তাই জেলে পুরতে পারেনি, ফের বিস্ফোরক দিলীপ

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

সম্প্রতি রাজ্যে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি হল বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কুরুচিকর মন্তব্য। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে কিভাবে তিনি এই ধরনের কথা বলতে পারেন সেই প্রশ্ন উঠছে । যার কারণে গতকাল রাজ্যপালের কাছে নালিশ জানাতে রাজভবনে গিয়ে পৌঁছায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। আর তারপর কুণাল ঘোষ জানান রাজভবনের সামনে দিলীপ ঘোষকে নীলডাউন করিয়ে রাখা উচিত। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ” যারা এতদিন নীলডাউন করে এসেছে পুলিশের সামনে, সেই দিনগুলি আমরা ভুলিনি । সেই সময় কী কী বলেছিলেন? আমি সেটাই বলেছি, সেই দম যদি থাকতো, পুলিশ অনেক আগেই জেলে পুরে দিত। পারেনি কেন ? “

একই সঙ্গে তিনি বলেন ,যেই রাজ্যপালের সম্বন্ধে দিনরাত তাঁরা কটুক্তি করেন, তাঁর কাছেই নালিশ নিয়ে গিয়েছেন। এতেই প্রমাণিত হয় কতটা দুর্বল তৃণমূল। বর্তমানে কটু কথার রাজনীতি চলছে । কারণ একের পর এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে তোলপাড় হচ্ছে রাজ্য। কখনও নূপুর শর্মা আবার কখনও মহুয়া মৈত্র। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, নূপুর শর্মার কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তার আগে রাজ্যের শাসক দলের যে সকল নেতা ,মন্ত্রী ,বিধায়ক সাংসদ রয়েছেন তাদের কথা তুলে ধরা উচিত । দলের মধ্যে তাঁরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে আক্রমণ করেন সেটা তুলে ধরা উচিত। কটু কথা বলাকে জনআন্দোলনে তৈরি করে দিয়েছেন তাঁরা।

কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে নূপুর শর্মার পয়গম্বর বিতর্কের কারণে লুকআউট নোটিশ জারি করা হয়েছে কিন্তু অপরদিকে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে যাওয়ায় বিজেপি বিধায়ক হিরণকে বসিয়ে রাখার অভিযোগ ওঠে । সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পুলিশ । যার জন্য তাদের এফআইআর নেওয়া হয় না । রাজ্যে শত শত খুন হচ্ছে ধর্ষণ হচ্ছে কিন্তু কোন চার্জশিটে জমা পড়ে না আর কেউ সাজাও পায় না। বর্তমানে রাজ্যের পুলিশ শুধুমাত্র তৃণমূলকে ভোটে জেতাতে এবং বিরোধী দলকে জেলে পুরে দিতে ব্যস্ত। তাই সেখান থেকে ন্যায় আশা করা একেবারেই উচিত নয় বলে দাবি তাঁর।

পাশাপাশি তিনি পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে গুজরাট গুয়াহাটির তুলনা করে বলেন, ক্যানিং এর ঘটনায় তৃণমূলের তরফ থেকে বিজেপির দিকে অভিযোগ ঘোরানো হচ্ছে। কিন্তু বিজেপিকে খুনোখুনির রাজনীতি করতে হয় না। গুজরাট থেকে গুয়াহাটি এমনকি কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত দেখলে বোঝা যাবে বিজেপি জিতে চলেছে । কোথাও তাদের বোমা বন্দুক ব্যবহার করতে হয় না বরং বিজেপি জেতার পর সেখানে বোমা বন্দুকের ব্যবহার বন্ধ হয় । এমনকি বিজেপি কাশ্মীরকে পর্যন্ত শান্ত করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

দ্রৌপদী মুর্মুর প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সুর নরম হওয়ার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের অনেকেই দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করবেন । সেই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী যদি সমর্থন না করেন তাহলে ভারতের আদিবাসী সমাজ তাকে উত্তর দেবে। কল্যাণীর AIMS এ চাকরিতে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপির বিধায়কদের সিআইডির তরফ থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে দিলীপের বক্তব্য বিজেপির স্বচ্ছ রাজনীতি এবং স্বচ্ছ প্রশাসনে বিশ্বাস করে । আজ নয় এর আগেও বিজেপি সরকার ছিল যখন কেন্দ্রে কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় ছিল । সেই সময় বিজেপির দিকে কেউ আঙুল তুলতে পারেনি। যদি কেউ এই ধরনের বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে অবশ্যই তাদেরকে আইনের সামনে আসতে হবে। তবে ক্লার্ক গ্রেডে চাকরির জন্য হাজার খানিক তালিকা তাঁর কাছেও এসেছে বলে জানালেন তিনি। তাই বিভিন্ন দফতরে যে ক্লার্ক নিয়োগ হয়েছে, সেই নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে হয়েছে কিনা সেই তালিকাও তদন্ত করে দেখা উচিত বলে জানালেন দিলীপ ঘোষ।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories