Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

মেয়েদের পদবীটাই কী তাঁর শেষ পরিচয়’? বিয়ের পর পদবী পরিবর্তন নিয়ে কী বললেন ইন্দ্রানী হালদার?

।।  প্রথম কলকাতা ।।

‘পদবী হালদার থেকে রায় করিনি। ইন্দ্রানী হালদার ছিলাম সেটাই থাকবো। শুধু মাত্র প্রয়োজনে পাসপোর্টে আছে ইন্দ্রানী হালদার রায়। বাকি সবকিছুতেই ইন্দ্রানী হালদার।’ সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইন্দ্রানী হালদার। একই সাথে বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে সত্যিই কী মেয়েদের পদবীটাই সব? এটাই কী তাঁর জীবনের শেষ পরিচয়? একজন মেয়ের বাবা, ঠাকুরদার কী কোনও অস্তিত্ব নেই? আর যদি এই পদবীটাই তাঁর শেষ পরিচয় হয় তবে বাবার পদবী নয় কেন? জনসমক্ষ্যে এমন সব প্রশ্ন তুলেছেন ইন্দ্রানী।

শুধু ইন্দ্রানী নয়। একই প্রশ্ন তুলবে মিতালি হালদার। সম্প্রতি মুক্তি পেতে চলেছে ইন্দ্রানী হালদার অভিনীত ছবি কুলের আচার। সেখানেই সমাজে প্রচলিত এই বিষয়গুলি থেকে বেরিয়ে এসে মিতালি সেন কীভাবে মিতালি হালদার হয়ে ওঠে সেই লড়াইয়ের গল্প বলবে আসন্ন ছবি। ছবিতে ইন্দ্রানীর পাশাপাশি অভিনয় করতে দেখা যাবে মধুমিতা সরকারকেও। আগামী ১৫ জুলাই মুক্তি পাবে এই ছবি।

তবে পদবী পরিবর্তনের তৎপর্য আদৌ কিছু কী আছে?

যুগে যুগে এমন অনেক প্রশ্নের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছেন সমাজের অগুনতিক নারী। যার উত্তর অজানা হলেও এখনও অনেক পরিবার বিশ্বাস করে স্বামীর পরিচয়েই স্ত্রীয়ের পরিচয়। আর স্বামীর পরিচয় বহন করলে তবেই নাকি একে অন্যের সঙ্গে একাত্ম হতে পারেন। এছাড়াও দুজনের পদবী আলাদা হলে সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে। যদিও এই সব তথ্যের কোনও ভিত্তি নেই বলেই বাদী করে আজকের সমাজ। তাই পরিচয় শুধুই নামে। তাঁর কাজে এবং ব্যক্তিত্বে। স্বামীর পদবী কখনওই একজন নারীর পরিচয় হয়ে উঠেতে পারেনা। যার স্পষ্ট ধারণা তুলে ধরতেই বড়পর্দায় আসছে কুলের আচার।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories