Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

BREAKING: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা বরিস জনসনের ! তুঙ্গে বিতর্ক

।। প্রথম কলকাতা ।।


ইংল্যান্ডের মন্ত্রিসভায় এখন পদত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছে, যার জেরে বেশ চাপেছিলেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। অনেকেই ভাবছিলেন হয়ত পরিস্থিতি সাধারণ নির্বাচনের দিকে এগোবে । কারণ এইভাবে চলতে থাকলে সরকার চালানো বেশ মুশকিল। আর এই সব বিতর্কের মাঝে অবশেষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন কনজারভেটিভ সরকারের শীর্ষ পদ থেকে সরে যেতে রাজি হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দ্য গার্ডিয়ান এর তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন কনজারভেটিভ সরকারের পদত্যাগের মধ্যে শীর্ষ পদ থেকে সরে যেতে রাজি হয়েছেন। এছাড়াও তিনি কনজারভেটিভ পার্টির নেতার পদও ছাড়বেন। তবে চলতি বছরের অক্টোবরে কনজারভেটিভ পার্টির সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে একজন নতুন টোরি নেতা নিযুক্ত হওয়ার আগে পর্যন্ত জনসন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন।

৫০ জনের বেশি মন্ত্রী ৪৮ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সরকার থেকে পদত্যাগ করেছেন। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী একাধিক কেলেঙ্কারি পর বরিশ জনসন ওই পদে থাকার উপযুক্ত নন। ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক কেলেঙ্কারির ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি সবথেকে জটিল করে তুলেছে
ক্রিস পিনচারকে কেন্দ্র করা ঘটা ঘটনা।

কয়েকদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে জল ঘোলা হওয়ার পর জনসনকে মুষ্টিমেয় মিত্র ছাড়া সকলেই পরিত্যাগ করেছিলেন। ৫৮ বছর বয়সী জনসন যখন ২০১৯ সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন তখন তাঁর ঝুলিতে বেশ অনেকটা অংশের ভোট ছিল যা এর আগে কনজারভেটিভ পার্টি দখল করতে পারেনি।

এর আগে জনসন তাঁর মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রচুর কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল, তিনি যৌন অসদাচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত একজন আইনপ্রণেতাকে( ক্রিস পিনচার) পদোন্নতি দিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তি ২০১৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে যৌন অসদাচরণের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও একজন সিনিয়র পদে নিযুক্ত হন।

১ জুলাই যুক্তরাজ্য সরকার দাবি করেছে যে জনসন পিনচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। কিন্তু একজন মুখপাত্র পরে প্রকাশ করেছেন যে এটি সম্পূর্ণ সত্য নয় এবং প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ সম্পর্কে জানতেন। ২০১৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতরের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সাইমন ম্যাকডোনাল্ডও মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যা বলার জন্য অভিযুক্ত করেছেন।জনসন আইন প্রণেতা ক্রিস পিনচারের বিরুদ্ধে পূর্বের অসদাচরণের অভিযোগ সম্পর্কে জানতেন কিনা এই বিষয়ে নানান প্রশ্ন উঠতে থাকে। যার কারণে চাপের সম্মুখীন হন বরিস জনসন।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories