Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

মানবজীবনে চিকিৎসকদের অবদান অশেষ, জানুন জাতীয় চিকিৎসক দিবসের গুরুত্ব

।। প্রথম কলকাতা ।।

গত দু’বছর করোনা সারা বিশ্ববাসীকে বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে আসল হিরো চিকিৎসকরা। বহু মানুষ চিকিৎসকদের ভগবানের আসনে বসান। সারা বিশ্বজুড়ে মহামারির সময় চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের অবদান ও ত্যাগের কথা কোনদিনও ভোলার নয়। প্রতিবছর চিকিৎসকদের অবদানের কথা স্মরণ করে জুলাই মাসের ১ তারিখে পালন করা হয় জাতীয় চিকিৎসক দিবস। এই দিনটির সঙ্গে মূলত জড়িয়ে রয়েছে আরেকটি বিষয়। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম এবং মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণ করে এই দিবস পালন করা হয়।

সর্বপ্রথম এই দিবসের সূচনা হয়েছিল ১৯৯১ সালে। এই দিবসের উদ্দেশ্য ছিল, ড: বিধানচন্দ্র রায়ের অবদানকে স্বীকৃতি জানানো। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। কমলা নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতাল , চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার হাসপাতাল, চিত্তরঞ্জন সেবা সদন , ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন প্রভৃতি তিনি প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য তিনি ১৯৬১ সালে পেয়েছেন ভারতরত্ন সম্মান। পাশাপাশি ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে, ড: বিধানচন্দ্র রায়কে ভারত উপমহাদেশের প্রথম মেডিকেল পরামর্শদাতা বলা হয়েছিল।

বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক নানান সরঞ্জাম। তবে মনে রাখতে হবে, যদি চিকিৎসকরা না থাকতেন তাহলে অনেকের জীবনের স্বাভাবিক ছন্দের তাল কেটে যেত। চিকিৎসকদের জন্যই অসুস্থ ব্যক্তি দ্রুত আরোগ্য লাভ করেন। একজন সফল চিকিৎসকের পিছনে থাকে অনেক পরিশ্রম। তিনি তাঁর জীবনের সমস্ত বাধা অতিক্রম করে প্রতি মুহূর্ত একজন রোগীকে সুস্থ করার জন্য লড়াই চালিয়ে যান। প্রকৃত চিকিৎসকরা সর্বদা নিজের আগে তাঁর রোগীর কথা ভাবেন । জাতীয় চিকিৎসক দিবসে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্যকর্মী এবং চিকিৎসকদের কুর্নিশ জানিয়ে রইল অনেক সম্মান এবং শুভেচ্ছা।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories