Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘এই প্রথম হিন্দুত্বের নামে কোনও সরকারের পতন হল’, উদ্ধবকে খোঁচা নরোত্তমের

।।প্রথম কলকাতা।।

উদ্ধব ঠাকরের ইস্তফার পর ইতিমধ্যে দায়িত্ব নিয়েছেন শিন্ডে। এবার উদ্ধবকে কটাক্ষ করলেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র। বৃহস্পতিবার শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার একদিন পরে তাকে কটাক্ষ করলেন নরোত্তম।তার বক্তব্য এই যে হনুমান চল্লিশার প্রভাবে সরকারের ৪০জন বিধায়ক ৪০ দিনের মধ্যে চলে গেলেন। বিজেপি নেতা আরও উল্লেখ করেছেন যে হিন্দুত্বের নামে কোনও সরকার পতনের ঘটনা এই প্রথম ঘটল।

তিনি আরও বলেছেন যে ‘কোনো সরকার পতন হলে বা কোনো দল ভাঙলে যারা দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্নের সম্মুখীন হন। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মধ্যপ্রদেশ সম্পর্কে কমলনাথকে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হন যে কেন ৩২ জন বিধায়ক তাকে ছেড়ে গেলেন? উদ্ধব ঠাকরেকে জিজ্ঞাসা করা হোক, এটা কী হনুমান চল্লিশার প্রভাব যে ৪০ দিনের মধ্যে ৪০ জন বিধায়ক তাকে ছেড়ে চলে গেলেন? এত কিছুর পরেও সঞ্জয় রাউত বলে যাচ্ছেন যে তাদের বিধায়কদের অপহরণ করা হয়েছিল, কিন্তু বিষয়টা এটাই যে বিধায়করা অপহৃত হননি তারা নিজেরাই বিজেপিকে বেছে নিয়েছিলেন।’

ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের কুর্সিতে বসে গেলেন একনাথ শিন্ডে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করলেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন মহারাষ্ট্রের দু’বারের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নাম ঘোষণার পর শিন্ডে বলেন, ‘বালাসাহেবের হিন্দুত্বের কথা ভেবে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের বিধায়করা নিজ নিজ কেন্দ্রে উন্নয়নমূলক কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ দেবেন্দ্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শিন্ডে বলেছেন, ‘বিজেপির ১২০ জন বিধায়ক রয়েছে। তার পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করেননি তিনি। ওর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের প্রতিও কৃতজ্ঞ’।

তবে এই আবহেও একটা চিন্তা থাকছে। ২০১৯ সালে জোট বেঁধে লড়েও, বিধানসভা নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রিত্বের প্রশ্নে জোট ভেঙে গিয়েছিল বিজেপি এবং শিবসেনার। মহা আগাড়ি জোট তৈরির কথা চলার মধ্য়েই এনসিপির অজিত পাওয়ারের সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন দেবেন্দ্র । তবে, তাড়াহুড়ো করা এই পদক্ষেপে মুখ পুড়েছিল তারই। ৫ দিনের মাথায় পদত্যাগ করতে হয়েছিল। ক্ষীণ হলেও, এইবারও সেই সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যে ফেরার পর বিদ্রোহীরা সকলেই শেষ পর্যন্ত শিন্ডে শিবিরে নাও থাকতে পারেন।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories