Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

ইলেকট্রিক বিল মেটাতে গিয়েই বিপত্তি! অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও লক্ষ্যধিক টাকা, প্রতারিত অভিনেতা

।।  প্রথম কলকাতা ।।

প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে যে কোনও কাজকর্ম করতে সুবিধা হয়। ফলে ব্যাঙ্কিং হোক বা শপিং কিংবা বাড়ির ইলেকট্রিসিটি বিল মেটানো সব ক্ষেত্রেই অত্যাধুনিক টেকনলজির ব্যবহার করা হয়। বাড়িতে বসেই নিমেষে সারা যায় সবকাজ। তবে সেক্ষেত্রে একটু অসাবধান হলেই বিপদ। নিমেষে ফাঁকা হতে পারে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। তেমনই ভুয়ো লিঙ্কে ক্লিক করে নিজের সর্বস্ব হারিয়েছেন এমন মানুষের সংখ্যা অসংখ্য। আসলে যতই সতর্ক হন না কেন প্রতি মুহূর্তে প্রতারকেরা পাল্টাচ্ছে তাঁদের প্রতারণার জাল। আর তা বুঝে উঠতে না পারলেই বিপদ। সম্প্রতি এমনই এক প্রতারণার জালে জড়িয়ে পড়েছেন অভিনেতা শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়। ইলেকট্রিক বিলের নামে তাঁর কাছে ভুয়ো লিঙ্ক পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লিঙ্কে ক্লিক করতেই ব্যাঙ্ক থেকে উধাও হয়েছে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা।

আপাতত, সরশুনা থানা, লালবাজারের সাইবার সেল এবং ব্যাঙ্কে অভিযোগ জানিয়েছেন অভিনেতা। কিন্তু টাকা ফেরত মিলবে কী? জানা না গেলেও শুরু হয়েছে তদন্ত। জানা যায়, চলতি মাসের ১৩ জুন ইলেকট্রিক অফিস তথা সিএসসি থেকে অভিনেতার ফোনে একটি মেসেজ আসে। যেখানে বলা হয়, রাত ১২ টার মধ্যে বিল না মেটালে কেটে দেওয়া হবে সংযোগ। তড়িঘড়ি প্রতিবারের মতোই অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে বকেয়া বিল মিটিয়েও দেন। কিন্তু তাতে কাটলোনা সমস্যা।

অভিনেতার দাবি, ঠিক তারপরেই একটি অচেনা নাম্বার থেকে তাঁর কাছে ফোন আসে। বলা হয়, তিনি টাকা মেটালেও তা আপডেট হয়নি। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে পেমেন্ট আপডেট করার জন্য ১১ টাকা দিতে হবে বলে জানায় এবং একটি লিংকে ক্লিক করে ওই টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। সেই মতো অভিনেতা ওই লিংকে ক্লিক করেন। এরপরই অভিনেতা জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে আড়াই লক্ষ টাকা। ব্যাস তাতেই মাথায় হাত শান্তিলালের।

তড়িঘড়ি যান থানায়। পুলিশের দ্বারস্থ হন। দায়ের করেন লিখিত অভিযোগ। অভিযোগের প্রমাণ হিসাবে এসএমএস এবং ওই অচেনা নম্বর থেকে আসা ফোন সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পুলিশকর্তাদের জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত কেউই পুলিশের জালে ধরা পড়েনি।

যদিও সাইবার বিশেষজ্ঞদের দাবি, সম্প্রতি ইলেকট্রিক বিল মেটানোর অছিলায় সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টায় প্রতারকরা। তাই প্রতি মুহূর্তে হতে হবে আরো বেশি সতর্ক। যেকোনও লিংকে ক্লিক করার আগে তা কোথা থেকে এসেছে তা ভালো করে খতিয়ে দেখতে হবে। আদৌ বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে সেই মেসেজ এসেছে কিনা তা যাচাই করতে হবে। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিভাগের অফিসিয়াল অ্যাপের মাধ্যমে বিল মেটানোর চেষ্টা করুন। একই সাথে তাঁর সত্যতা বিচার না করে ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories