Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

South 24 Pargana:অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ, বাংলাদেশি উপকূল রক্ষী বাহিনীর হাতে আটক বহু মৎস্যজীবী

।। প্রথম কলকাতা।।

ভারতীয় মৎস্যজীবীদের কাছে যে মরশুমটি মাছ ধরার জন্য উপযুক্ত সেই সময় বাংলাদেশের মৎস্য দপ্তর মাছ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। প্রতিবছরই প্রায় ২রা মে থেকে ২৩ শে জুলাই পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে মাছ না ধরার নির্দেশ দেওয়া হয় বাংলাদেশের মৎস্য দপ্তরের তরফ থেকে। তবে এই মরশুমে মাছ ধরতে গিয়ে ভারতীয় জলসীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক করা হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার আটটি ট্রলার সহ ১৩৫ জন মৎস্যজীবীকে। বাংলাদেশের মৎস্য দপ্তরের তরফ থেকে ভারতীয় মৎস্য দপ্তরকে এই বিষয়টি জানানো হয়েছ।

জুন মাস থেকেই ভারতীয় মৎস্যজীবীরা নিজেদের মাছ ধরার কাজে কোমর বেঁধে লেগে পড়েন । তবে ইলিশ মাছের মরশুমের শুরুতে একের পর এক ট্রলার দুর্ঘটনা ঘটে। যার জেরে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তাঁরা। তবুও লাভের আশায় বারবার সমুদ্রের বুকে ছুটে যান মৎস্যজীবীরা । এরই মধ্যে প্রতিবেশী দেশে জল সীমানা অতিক্রান্ত করে অনধিকার প্রবেশের জন্য আটক করা হয় তাদের। বাংলাদেশের উপকূল রক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হন তাঁরা । জানা যায় বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায় মোগলাপোট থানায় ওই ১৩৫ জন মৎস্যজীবী সহ আটটি ট্রলারকে আটকে রাখা হয়েছে।

কাকদ্বীপ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজয় মাইতি জানিয়েছেন, বুধবার সকালে তাঁর কাছে কয়েকজন মৎস্যজীবীর কাছ থেকে ফোন আসে। তাঁরা জানান যে ভারতীয় জল সীমানা অতিক্রম করার অপরাধে তাদেরকে আটক করা হয়েছে । মাছ ধরার সময় তাঁরা সীমানা পেরিয়ে প্রতিবেশীর দেশে ঢুকে পড়েছিলেন। যার কারণে এই ঘটনা ঘটে।তবে কীভাবে তাঁরা ভারতীয় জলসীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করল তা বর্তমানে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভারতীয় মৎস্য দপ্তরের তরফ থেকে ওই আটক মৎস্যজীবীদেরকে দেশে ফেরানোর জন্য তৎপর ভূমিকা গ্রহণ করেছেন আধিকারিকরা । সূত্রের খবর অনুযায়ী রাজ্য সরকার এবং ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে জেলা মৎস্য দপ্তর আলোচনা করেছে , যাতে যত দ্রুত সম্ভব ওই মৎস্যজীবীদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories