Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

চরমে ট্যুইটার-কেন্দ্র সংঘাত! তথ্য ও প্রযুক্তি আইন না মানলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে সরকার

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে ফের একবার সংঘাতে জড়ালো ট্যুইটার ইন্ডিয়া (Twitter)। নতুন তথ্য ও প্রযুক্তি আইন মেনে চলার ‘চূড়ান্ত শেষ সুযোগ’ দিল কেন্দ্র। আগামী ৪ জুলাই, ২০২২ এর মধ্যে এই নিয়ম না মেনে চললে চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। ট্যুটারের থেকে কেড়ে নেওয়া হতে পারে মধ্যস্থতাকারীর স্ট্যাটাস।

মূলত ঘটনার সূত্রপাত, চলতি মাসের ৬ ও ৯ তারিখে। এই দুই তারিখে সরকারের তরফে প্ল্যাটফর্ম থেকে কিছু কনটেন্ট মুছে ফেলার একটি নোটিশ জারি করা হয়। কিন্তু ট্যুইটার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে তা করা হয়নি। এর পরেই ট্যুইটারকে উক্ত কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়। এবং সাথে এও বলা হয়, ভবিষ্যতে ট্যুটার তার মধ্যস্থতাকারী স্ট্যাটাস হারাতে পারে।

যা টুইটারকে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০০ অনুসারে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করবে। যদিও ৬ ও ৯ জুন তারিখের নোটিশে ট্যুইটারকে কোন কন্টেন্ট সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ধারা ৬৯ A – এর অধীনে কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বারবার ব্যর্থতা এবং একাধিক অ-সম্মতি মূলক কাজের জন্য ট্যুইটারকে এই নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

ট্যুইটার যদি এই নির্দেশ অনুসরণ না করে তাহলে, ট্যুইটার ইন্ডিয়া তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ধারা ৭৯-এর উপ-ধারা (১) এর অধীনে একজন মধ্যস্থতাকারী (Intermediary) হিসাবে তার স্ট্যাটাস হারাতে পারে এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধের জন্য দায়ী হতে পারে।

প্রসঙ্গত, ট্যুইটার ও কেন্দ্রের সংঘাত এই প্রথম নয়। ২০২১ সালের জুন মাসে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের শর্তপূরণ না করায় সংস্থার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল সরকার। কখনো কৃষি আইন নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়ানো আবার কখনো উত্তরপ্রদেশের এক প্রবীণ নাগরিককে মারধোরের ভুয়ো ভিডিও ভাইরাল করার অভিযোগ উঠেছিল ট্যুটারের বিরুদ্ধে। শেষমেষ এই মাইক্রো ব্লগিং সাইটের আইনি রক্ষাকবচ খারিজ করে দিয়েছিল কেন্দ্র।

Categories