Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Asansol: মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় উঠল চাকরির দাবি, তড়িঘড়ি প্ল্যাকার্ড কাড়ল পুলিশ

।। প্রথম কলকাতা।।

রাজ্যজুড়ে দফায় দফায় চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ চোখে পড়ছে। প্রায়ই নবান্নের সামনে নয়তো বা রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল দেখা যাচ্ছে। নিয়োগের দাবিতে সরব হয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা । যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও চাকরি মিলছে না বরং পরীক্ষা না দিয়েই বর্তমানে বহু শিক্ষক শিক্ষকতা করছেন । যা নিয়ে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় তোলপাড় রাজ্য। এরকম পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জেলা সফরে এইবারে এসে উপস্থিত হয়েছেন পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে। মঙ্গলবার সেখানে একটি জনসভার আয়োজন করা হয় আর সেই জনসভার মাঝেই দিদিকে কিছু বলতে চেয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে উঠে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক মহিলা।

তবে তড়িঘড়ি পুলিশ তাঁর হাত থেকে প্ল্যাকার্ড কেড়ে নেয় । আরও কয়েকজনের হাতে প্ল্যাকার্ড দেখা যায় তবে সেই প্ল্যাকার্ড জনসভা থেকে সরানোর জন্য তৎপর ভূমিকা দেখা যায় পুলিশের। পরবর্তীতে জানা যায় ওই প্ল্যাকার্ড হাতে মহিলা একজন টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থী আর সেই প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ” পরিবেশ দূষণ বন্ধ করুন না হলে পুনর্বাসন দিন”। এছাড়াও বেশ কিছু পোস্টারে লেখা “দিদিকে কিছু বলতে চাই”। তবে তাদেরকে আর বলতে দেওয়া হল কই! হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হল পোস্টার, টেনে ছিঁড়ে দেওয়া হল সেই গুলি। জনসভা থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হল সেই সমস্ত চাকরিপ্রার্থীদের।

এদিন আসানসোলের জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ” ১৭ হাজার শিক্ষকদের চাকরি তৈরি আছে। তবে আদালত অনুমতি না দিলে আমি তা দিতে পারি না”। যেখানে নিয়োগের দাবিতে এবং বেআইনি নিয়োগের প্রতিবাদে তোলপাড় হয়ে রয়েছে গোটা বাংলা সেইখানে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রস্তুত রাজ্য এমনটাই বার্তা দিলেন তিনি । তবে সেই নিয়োগের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেশ কিছু বিষয়। যার কারণে কয়েক হাজার শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগ করতে পারছেন না তিনি । আদালতের এই বিরুদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি টেট উত্তীর্ণ মামলাকারীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ” আপনারা মামলা তুলে নিন অথবা আপনাদের স্বপক্ষে রায় নিয়ে আসুন, আমি চাকরি দিতে প্রস্তুত”।

এছাড়াও তিনি এদিন সভা মঞ্চ থেকে বিরোধী পক্ষের আইনজীবীদের নাম উল্লেখ করে খোঁচা দিয়ে বলেন, ” বিকাশবাবু একের পর এক মামলা করছেন। আদালত নিয়োগ বন্ধ করে দিচ্ছে। ওনার তো অর্থের কোনো অভাব নেই কিন্তু সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে আপনাদের। আপনারা বিকাশ বাবুদের গিয়ে বলুন, আপনাদের জন্য চাকরি আটকে যাচ্ছে”। অর্থাৎ রাজ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া কেন বন্ধ রয়েছে, তার পুরোপুরি দায় মুখ্যমন্ত্রী চাপিয়ে দিলেন আদালত এবং বিরোধী পক্ষের আইনজীবীদের কাঁধে। তবে যারা সভামঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু বলতে চেয়ে এসে উপস্থিত হয়েছিলেন তাদের কন্ঠরোধ করে দেওয়া হল পুলিশ প্রশাসনের সাহায্যে।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories