Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

Dilip Ghosh: ” গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে দলটাই উঠে যাবে”, কোন প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য দিলীপ ঘোষের?

1 min read

।। প্রথম কলকাতা।।

খড়গপুরে ফের একবার শ্যুট আউটের ঘটনায় গতকাল রাতে মৃত্যু এক তৃণমূল কর্মীর । এবার তৃণমূল কর্মীর খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর । অভিযোগের আঙুল তুলতে ছাড়েনি বিরোধী পক্ষ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ এই খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ” সব জায়গায় ওদের নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চালু হয়ে গিয়েছে । আমাদের চেয়ারম্যানের খাস লোক ছিলেন। শ্রীণুর সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল। খড়গপুরকে যারা অশান্ত করে রেখেছে তার বেশিরভাগই এখন আন্ডারগ্রাউন্ড। তাদেরকে ব্যবহার করে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে। ভোটের সময় এরাই কাজ করে ,সেখানে তোলাবাজি করে এরাই। অশান্তি সৃষ্টির মূলে রয়েছে তাঁরা । আর এই খুনের ঘটনার জন্য যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে তা প্রশাসনিক ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছু নয়”।

অন্যদিকে বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেফতার করার দাবি তুলে সিজিও কম্প্লেক্সের সামনে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভ দেখা যায় । যার নেতৃত্বে ছিলেন কুণাল ঘোষ। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ধর্না দেওয়ার প্রয়োজন নেই । কারণ তাদের হাতে সরকার রয়েছে । বিজেপির বহু কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবার একজন নেতাকেও গ্রেফতার করা হোক। সরকার ,পুলিশ , সিআইডি রয়েছে। যদি কেউ কোন দোষ করে থাকে তাহলে অবশ্যই তদন্ত হবে এবং সাজা পাবে । তাই এইরকম ধর্না নাটক করার প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই জানালেন তিনি।

এছাড়াও কুণাল ঘোষ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে শিয়ালের লেজকাটা গেছে সে চায় সবার লেজকাটা হোক। যেহেতু তৃণমূলের বহু নেতৃত্বকে সিবিআই তলব করেছে তাই এবার বিজেপির তরফ থেকেও কোনো নেতাকে গ্রেফতার করা হোক এমনটাই চাইছে শাসক দল। তাঁর দাবি, যেভাবে তৃণমূলের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে, উচ্চস্তর থেকে নিম্নস্তর সর্বত্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে খুনোখুনি শুরু হয়ে গিয়েছে কাজেই এই দল খুব বেশিদিন নয় বলেই মনে করছেন তিনি। অন্যদিকে তিনি তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, ” ওরা দেখাতে চাইছে তৃণমূল বিজেপি সমান । মদন বা কুণালকে আপনারাই গ্রেফতার করিয়েছিলেন আপনারাই প্রমাণ করেছেন চোরেরা আপনাদের সঙ্গে আছে “।

বর্তমানে বন্যায় ভাসছে অসম। তবে অসম সরকার সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি নিক্ষেপ করছে না। শিলচর নিয়ে তাদের কোনো রকম হুশ নেই বলে অভিযোগ উঠেছে তরফ থেকে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, যারা বলছেন তাঁরা ত্রাণ নিয়ে অসমে যেতে পারেন। তাঁরা ভোটের জন্যই সেখানে গিয়েছিলেন। বিজেপি অসমে গিয়ে সরকার ভাঙ্গে নি বরং ত্রিপুরাতে যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন তাকে বিজেপির তরফ থেকে জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল । তাঁর নিরাপত্তাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল, যা একমাত্র বিজেপিই পারে। অন্য রাজ্য থেকে লোক এলে ঢিল ছোড়া কিংবা বিরোধী দলনেতাকে কালো পতাকা দেখান বিজেপির কালচার নয়।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories