Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

এবার উদ্ধবের পাশে স্ত্রী রশ্মি, কী করলেন মহা-সংকট কাটাতে?

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

স্বামীকে বাঁচাতে এবার আসরে নামলেন স্ত্রী। মহা সংকট মেটাতে অসুস্থতার মধ্যেই দিনরাত বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী । রাস্তায় নেমে সমর্থকদের তাতাচ্ছেন আদিত্য ঠাকরে। পিছিয়ে নেই উদ্ধব-পত্নী রশ্মি ঠাকরেও। তিনিও নিজের মতো করে কথা বলছেন বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের স্ত্রীদের সঙ্গে।

রশ্মি আসরে নামার পর বিক্ষুব্ধ শিবিরে খানিকটা হলেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জানা গেছে উদ্ধব পত্নী ইতিমধ্যেই বিক্ষুব্ধ শিবিরের বেশ কয়েকজন বিধায়কের স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। অনুরোধ করেছেন, তারা যেন বুঝিয়ে শুনিয়ে বিক্ষুব্ধদের ফিরিয়ে আনেন। তাদের সব ক্ষোভ মেটানোর আশ্বাসও দিচ্ছেন তিনি।

রাজনৈতিক মহল বলছে তাহলে কী এই চরম দুঃসময় ক্রাইসিস ম্যানেজারের ভূমিকায় উদ্ধব পত্নী রশ্মি ঠাকরে? সূত্রের খবর, বিক্ষুব্ধ শিবসেনা বিধায়করা যারা মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে সরব তাদের স্ত্রীদের ফোন করছেন রশ্মি ঠাকরে। যে সমস্ত বিধায়করা আপাতত বিক্ষুব্ধ একনাথ শিন্ডের সঙ্গে গুয়াহাটির হোটেলে ঠাঁই নিয়েছে তাদের স্ত্রীরা স্বামীদের যেন ফিরে আসার কথা বলেন, এই বার্তাই দিচ্ছেন তিনি। শুধু তাই নয়, কিছু বিক্ষুব্ধ বিধায়ককে উদ্ধব ঠাকরে নিজেই মেসেজ করেছেন বলেও প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।

বালাসাহেব ঠাকরের পুত্রবধূ রশ্নি। তাই শুধু মাত্র নিছক গৃহবধূ হয়ে থাকতে পারেননি তিনি। শিবসেনার মুখপত্র সামনার সম্পদক তিনি। তার লেখা বিষয় প্রায়ই চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। এর পাশাপাশি রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত তিনি। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই এবার বিদ্রোহী বিধায়কদের স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে শিবসেনার সংকট মূহুর্তে ত্রাতা হতে এগিয়ে
এসেছেন তিনি।

রাজ ঠাকরের বোন জয়ন্তীর সঙ্গে বন্ধু ছিলেন রশ্মি। সেই সূত্রেই আলাপ উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে। ১৯৮৯ সালে বিয়ে করেন দুজনে। তবে রাজনীতির সঙ্গে সংসার হলেও আজ অবধি প্রত্যক্ষ ভাবে রাজনৈতিক যুদ্ধ লড়েননি তিনি। কিন্তু আড়ালে থেকেই সব রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপরই তার নজর থাকে বলেই মনে করেন অনেকে।

আর সেই সূত্রেই এবার প্রত্যক্ষ লড়াইতে তিনি। যোগ্য স্ত্রীরই পরিচয় দিয়েছেন তিনি। স্বামীর ঘোর দুঃসময়ে তিনি আর চুপ থাকেননি পাশে দাঁড়িয়েছেন। এখন দেখার বিষয় একটাই যে তার এই পদক্ষেপ কতটা কাজে আসে মহা-সংকট কাটাতে!

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories