Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

৮৪-তে পা আর ডি বর্মন, পঞ্চমের জন্মদিনে রইলো তাঁর পঞ্চমাশ্চর্যের কথা

1 min read

।।  প্রথম কলকাতা ।।

দেখতে দেখতে ৮৪ তম জন্মদিন পার। আজ ভারতীয় সংগীতের সুর সম্রাট রাহুল দেব বর্মনের জন্মদিন। তিনি শুধুমাত্র এই দেশের একজন সুরকার বা গায়ক নন। রাহুল দেব বর্মন মানে সুরের সাগর। যিনি বহমান। তাঁকে বাঁধার ক্ষমতা কারর নেই। আজ তাঁর‌ই জন্মদিন।১৯৩৯ সালের ২৭শে জুন কলকাতায় জন্ম হয় আর ডি বর্মণের। আজ বিশেষ দিনে রইলো রাহুল দেব বর্মনকে নিয়ে জানা অজানা কিছু কথা।

সুদীর্ঘ সঙ্গীত জীবনের শুরুটা হয়েছিল মাত্র ৯ বছর বয়সে। “অ্যায় মেরি টোপি পলটকে আ” গানেই প্রথম সুর দিয়েছিলেন কিংবদন্তী শিল্পী। এর পর সেই গানই বাবা শচীন দেব বর্মন পরবর্তীকালে ১৯৫৬ সালে ‘মিস্টার ফান্টুস ফিল্মে’-এ ব্যবহার করেন। এরপর থেকে একাধিক হৃদয়স্পর্শী গান উপহার দিয়েছেন শিল্পী। দীর্ঘদিনের এই সঙ্গীত জীবনে মোট ৩৩১টি ছবিতে গানের সুর দিয়েছেন তিনি। যার মধ্যে ২৯২টিই হিন্দি ছবি। এবং ৩১ টি বাংলা ছবিতে সুর দিয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনটি তেলেগু ছবিতে। দুটো করে তামিল এবং ওড়িয়া ছবিতে এবং একটি মারাঠি ছবিতে সুরকার হিসেবে কাজ করেছিলেন সুরের জাদুকর।

যার মধ্যে, ১৯৬১ সালে প্রথম এককভাবে কোনও ফিল্মে সুর দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। মেহমুদ পরিচালিত এই ছবির নাম ছিল ‘ছোটে নবাব’।  মেহমুদ এই ছবিটা তৈরি করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন এই ফিল্মের সুর করুন শচীন কর্তা। কিন্তু শচীন দেব বর্মনের হাতে সময় না থাকার দরুন প্রায় বাতিলই হচ্ছিল কাজ। ঠিক সেসময়ই রাহুল দেব বর্মনকে তবলা বাজাতে দেখেন মেহমুদ। এরপরেই তাঁর তবলা বাজানো দেখে নিজের ছবির জন্য সুরকার হিসেবে সই করান রাহুল দেব বর্মনকে।

প্রসঙ্গত, আর ডি বর্মন শুধু তবলা না একাধারে বাজাতে পারতেন সরোদ ও মাউথ অর্গান। মুম্বইতে রাহুল দেব বর্মন সরোদ বাজানো শিখেছিলেন উস্তাদ আলি আকবর খানের কাছে। তবলা বাজানো শিখেছিলেন সমতা প্রসাদের কাছে। এবং মাউথ অর্গান তিনি নিজের দক্ষতাতেই শিখেছেন। বাবা এতো বড়সুরকার হওয়ার সত্ত্বেও রাহুল দেব বর্মন নিজের গুরু হিসেবে মানতেন কিংবদন্তী সুরকার সলিল চৌধুরীকে।

উল্লেখ্য, জীবনে পথ চলার পাশাপাশি ১৯৬৬ সালে রীতা বর্মনের সাথে সাঁতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন শিল্পী। তবে সে সম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি। বিয়ের ৫ বছরের মাথায় ১৯৭১-এ হয় বিচ্ছেদ। কথিত আছে বিচ্ছেদের সময়ই নাকি হোটেলের এক ঘরে বসে রাহুল দেব বর্মন সুর করেছিলেন সেই বিখ্যাত গান ‘মুসাফির হু ইয়ারো’! যা আজও কালজয়ী একটি গান।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories