Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘বিন্দুমাত্র লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ করা উচিত’, কোন প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত?

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

গণমাধ্যমে বক্তব্য রাখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। একাধিক বিষয় উঠে এলো তাঁর বক্তব্যে। যেখানে এনডিএ জোটের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার প্রসঙ্গ, শুধমাত্র বিজেপি করার অপরাধে পাথর প্রতিমায় একাধিক পরিবারকে চাষ করতে না দেওয়ার অভিযোগ, রাজ্যের একের পর এক নিয়োগ দুর্নীতি উঠে আসে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ করেন তিনি।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী জোটের প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে এনডিএর রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে তৃণমূলের পক্ষ থেকে। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার জানান, “সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে আমাদের আগামীদিনের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর সুরক্ষা অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়। একজন সাধারণ নাগরিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতেই পারেন। অনেকেই নমিনেশন করেন, তা বলে সবাইকে কি জেড প্লাস নিরাপত্তা দেওয়া কি সম্ভব?”

আবার, পাথর প্রতিমায় কুড়িটি পরিবারকে বিজেপি করার অপরাধে পরবাসী হয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে বলে, অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি করার অপরাধে তাদের জমিতে চাষ করতে দেয়া হচ্ছে না, বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এরজন্য দায়ী করা হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতাকে। এই প্রেক্ষিতে সুকান্ত মজুমদার জানান, “রাজ্যে কোন ভোট পরবর্তী হিংসা হয়নি বলে বলে থাকেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন থেকে দূরবীন লাগিয়ে পাথরপ্রতিমা দেখুন। তাঁর কাছে নিশ্চয়ই প্রশাসনিক আপডেট থাকে। বিজেপি করার অপরাধে চাষ করতে দেওয়া হচ্ছে না, এটা ভোট-পরবর্তী হিংসার অংশ, অর্থনৈতিক হিংসার অংশ। যা দেখতে পান না মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী। এটা মধ্যযুগীয় বর্বরতা। কাউকে আর্থিকভাবে বয়কট করা, জমিতে চাষ করতে না দিলে পরিবার না খেয়ে মারা যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত, বিন্দুমাত্র লজ্জা যদি অবশিষ্ট থাকে তাহলে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা।”

একের পর এক নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার জানান, “গোটা রাজ্য জুড়ে চলছে। নতুন কোন বিষয় নয়। গোটা রাজ্যে যত চাকরিপ্রার্থী আছেন, যারা চাকরি পেয়েছিলেন, তারাও এখন ভয় করছেন। উধোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে না পড়ে যারা। যারা চাকরি পেয়েছেন, তারাও এখন সন্দেহের বশে নিজেদের সার্টিফিকেট গুলিকে দেখছেন। গোটা রাজ্য জুড়ে হাজার হাজার নিয়োগ টাকার বিনিময়ে। তৃণমূল কংগ্রেস চাকরি গুলোকে বিক্রি করেছিল, নিলাম করেছিল। আগামী দিনে তদন্ত হলে সমস্ত কিছু ধরা পড়বে।” আদালতে এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদারের হাজিরা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “তিনি একটি দায়িত্বপূর্ণ পদে বসেছিলেন। কার অঙ্গুলি হেলনে তিনি চাকরি দিয়েছেন? যে বিষয়গুলো তিনি জানেন, তাঁর উচিত সমস্ত আদালতে বলে দেওয়া।”

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories