Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘প্রয়োজনে আমরা সুপ্রিমকোর্টে যাবো’, কীসের হুঁশিয়ারি সুকান্তর?

।।প্রথম কলকাতা।।

আগামী ২৬ সে জুন জিটিএ নির্বাচনের দিন। এই নির্বাচনের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে, আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হলো, ভোট ও ভোটের ফল ঘোষণা নিয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না হাইকোর্ট। তবে, জিটিএর সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে বিস্তারিত শুনানি চলবে। এবার, এ প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

সুকান্ত মজুমদার জানান জানান, “জিটিএ সাংবিধানিক, না অসাংবিধানিক? সে বিষয়ে এখনো মামলা আছে। নির্বাচন হয়তো হয়ে যাবে। তারপরেও আমরা এই মামলাতে লড়তে চাই। যদি আদালতের সিদ্ধান্ত আসে, জিটিএ অসাংবিধানিক। সে ক্ষেত্রে এই নির্বাচন ভুয়ো নির্বাচন হিসেবে পরিগণিত হবার সম্ভাবনা। আমরা মনে করি জিটিএ অসাংবিধানিক। সেই বিষয়টিকে নিয়ে প্রয়োজনে আমরা সুপ্রিম কোর্টে
যাব।”

আবার, আচার্য ও ভিজিটর পদের পর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ট্রাইবুনালের নিয়োগ কর্তার পদ থেকেও অপসারণের প্রচেষ্টা চলছে রাজ্যপালকে। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার জানান, “এই রাজ্য সরকার তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতবর্ষের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোয় একটি অঙ্গরাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের যেভাবে থাকার কথা, সেখানে থেকে বেরিয়ে আনার একটা সুকৌশল চেষ্টা চলছে। সেই চেষ্টার উদ্দেশ্য বারবার প্রমাণ করা, পশ্চিমবঙ্গ ভারতবর্ষের বাইরে। এরকম একটা ধারণা তৈরী করার চেষ্টা চলছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এসব হচ্ছে।”

মুকুল রায়ের পাবলিক একাউন্ট কমিটির চেয়ারম্যান পদের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব আনা হচ্ছে বিধানসভায়। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার জানান, “মুকুল রায় কোন দলে আছেন? সেই নিয়ে মামলা চলছে। তাঁর সদস্যপদ আগামী দিনে খারিজ হয়ে যেতে বাধ্য। যদি সদস্যপদ খারিজ হয়, তাহলে পাবলিক একাউন্ট কমিটির চেয়ারম্যান তিনি কিভাবে থাকতে পারেন?”

আবার তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, উদ্ভব সরকারের পতন কি তবে শুধু সময়ের অপেক্ষা? এর উত্তরে সুকান্ত মজুমদার জানান, “যে জোট হয়েছিল মহারাষ্ট্রে, তা ছিল অস্বাভাবিক। শিবসেনা প্রথম থেকেই হিন্দুত্বের উপরে বিশ্বাস করা একটি দল। স্বর্গীয় বালাসাহেব ঠাকরে হিন্দু সমাজের হৃদয় সম্রাট হিসেবে বরাবর তাঁর অবস্থান ছিল, আছে, আগামীতেও থাকবে। সেই শিবসেনা শুধুমাত্র চেয়ারের জন্য সেকুলার দলের সঙ্গে জোট তৈরি করেছিল। সেই জোট অস্বাভাবিক, তা টিকতে পারেনা। এই সরকার থাকবে কিনা? তা ঠিক করবেন মহারাষ্ট্রে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া বিধায়কেরা।

খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Categories